আততায়ীর গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁর মরদেহ বহনকারী গাড়ি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পরিবারের ইচ্ছা এবং ইনকিলাব মঞ্চের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে রাষ্ট্রীয় সম্মানে সমাহিত করা হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে, মরদেহ হিমঘরে রাখার পর সংগঠনটির কর্মীরা শাহবাগে এসে অবস্থান নেবেন। নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল সকালে একটি শোক মিছিলসহ শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হবে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে মরদেহ দেখার কোনো সুযোগ থাকবে না বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একই সাথে ছাত্র-জনতাকে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা বজায় রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার এবং কোনো অপশক্তি যেন সুযোগ নিতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় রিকশাযোগে যাওয়ার সময় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ওসমান হাদির প্রয়াণে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তাঁর পরিবার ও সহযোদ্ধারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
আততায়ীর গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁর মরদেহ বহনকারী গাড়ি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পরিবারের ইচ্ছা এবং ইনকিলাব মঞ্চের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে রাষ্ট্রীয় সম্মানে সমাহিত করা হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে, মরদেহ হিমঘরে রাখার পর সংগঠনটির কর্মীরা শাহবাগে এসে অবস্থান নেবেন। নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল সকালে একটি শোক মিছিলসহ শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হবে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে মরদেহ দেখার কোনো সুযোগ থাকবে না বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একই সাথে ছাত্র-জনতাকে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা বজায় রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার এবং কোনো অপশক্তি যেন সুযোগ নিতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় রিকশাযোগে যাওয়ার সময় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ওসমান হাদির প্রয়াণে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তাঁর পরিবার ও সহযোদ্ধারা।

আপনার মতামত লিখুন