ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দী পশ্চিমপাড়া গ্রামে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আছিয়া বেগমের ননদ লাইজু বেগম রেললাইনের পাশে পাট নাড়ানোর সময় ইটের আঘাতে আহত হন। পরে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় ইউসুফ বেপারীর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়া আলামিন বেপারীসহ অন্যদের লাঠিসোটা, লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে মারধর করা হয়। তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে আছিয়া বেগম, মিনু বেগম ও ইশিতা আক্তারও আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও তিনজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় হেলু বেপারী, দেলু বেপারী, ফারুক বেপারী, ইব্রাহিম বেপারী, সাকিবুল বেপারী, সেলিম বেপারী, আরিফ বেপারী, হাসান বেপারী এবং শাহ আলম (পচা) বেপারীর নাম উল্লেখ করে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আছিয়া বেগম বলেন,
"পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে আমাদের পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমার স্বামী ও ছেলেকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।"
ভাঙ্গা থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন,
"লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দী পশ্চিমপাড়া গ্রামে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আছিয়া বেগমের ননদ লাইজু বেগম রেললাইনের পাশে পাট নাড়ানোর সময় ইটের আঘাতে আহত হন। পরে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় ইউসুফ বেপারীর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়া আলামিন বেপারীসহ অন্যদের লাঠিসোটা, লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে মারধর করা হয়। তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে আছিয়া বেগম, মিনু বেগম ও ইশিতা আক্তারও আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও তিনজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় হেলু বেপারী, দেলু বেপারী, ফারুক বেপারী, ইব্রাহিম বেপারী, সাকিবুল বেপারী, সেলিম বেপারী, আরিফ বেপারী, হাসান বেপারী এবং শাহ আলম (পচা) বেপারীর নাম উল্লেখ করে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আছিয়া বেগম বলেন,
"পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে আমাদের পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমার স্বামী ও ছেলেকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।"
ভাঙ্গা থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন,
"লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন