জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র কুরআন খতম, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাতীয় মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী। স্বাগত বক্তব্য দেন সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ। আর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন যাকাত বিভাগের পরিচালক ড. হাফেজ মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান।
পবিত্র কুরআন খতম শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য, তাদের পরিবারের কল্যাণ এবং দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি তাদের রূহের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।
তিনি বলেন, সংকটময় সময়ে আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও কল্যাণের শিক্ষা দেয়। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র কুরআন খতম, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাতীয় মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী। স্বাগত বক্তব্য দেন সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ। আর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন যাকাত বিভাগের পরিচালক ড. হাফেজ মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান।
পবিত্র কুরআন খতম শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য, তাদের পরিবারের কল্যাণ এবং দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি তাদের রূহের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।
তিনি বলেন, সংকটময় সময়ে আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও কল্যাণের শিক্ষা দেয়। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন