নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় এক যুবককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে কোমরে ইট বেঁধে ক্যানেলে ফেলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাতাজি রোড এলাকায় নুরজাহান নূরানী হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. মর্তুজা (৪৫) সদর ইউনিয়নের হাড়িপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মর্তুজার হাত-পা ও মুখ বেঁধে কোমরে ইট সংযুক্ত করে পাশের একটি ক্যানেলে ফেলে যায়। নিকটস্থ একটি ওয়েল্ডিং কর্মশালার মালিক রুবেল শব্দ শুনে আলো ফেললে তাকে দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মর্তুজাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে বদলগাছী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করে। জড়িতদের শনাক্ত ও ঘটনার কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ না পেলেও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় এক যুবককে হাত-পা ও মুখ বেঁধে কোমরে ইট বেঁধে ক্যানেলে ফেলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাতাজি রোড এলাকায় নুরজাহান নূরানী হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. মর্তুজা (৪৫) সদর ইউনিয়নের হাড়িপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মর্তুজার হাত-পা ও মুখ বেঁধে কোমরে ইট সংযুক্ত করে পাশের একটি ক্যানেলে ফেলে যায়। নিকটস্থ একটি ওয়েল্ডিং কর্মশালার মালিক রুবেল শব্দ শুনে আলো ফেললে তাকে দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মর্তুজাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে বদলগাছী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করে। জড়িতদের শনাক্ত ও ঘটনার কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ না পেলেও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন