সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা এবং এরপর কী ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চাইলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি, আদালতের নির্দেশনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মূল্যায়নের ভিত্তিতে আত্মসমর্পণের আগেই তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় পরিচালিত হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছার ভিত্তিতে নয়, বরং আদালতের নির্দেশনা ও বিদ্যমান আইনি বিধান অনুসারেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আইনের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।"
এদিকে শেখ হাসিনা সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন এবং তা ঘিরে আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, আদালতে আত্মসমর্পণ কিংবা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারসহ পরবর্তী প্রতিটি পদক্ষেপ দেশের প্রচলিত আইন এবং আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা এবং এরপর কী ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চাইলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি, আদালতের নির্দেশনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মূল্যায়নের ভিত্তিতে আত্মসমর্পণের আগেই তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় পরিচালিত হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছার ভিত্তিতে নয়, বরং আদালতের নির্দেশনা ও বিদ্যমান আইনি বিধান অনুসারেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আইনের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।"
এদিকে শেখ হাসিনা সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন এবং তা ঘিরে আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, আদালতে আত্মসমর্পণ কিংবা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারসহ পরবর্তী প্রতিটি পদক্ষেপ দেশের প্রচলিত আইন এবং আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন