রোহিঙ্গা সংকট, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এ সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সফরের প্রথম দিনেই তিনি প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও গভীর করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, আঞ্চলিক কৌশল এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা সম্পর্কেও মার্কিন পক্ষ মতবিনিময় করবে বলে জানা গেছে।
সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় রোহিঙ্গা সংকট। দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার মানবিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাস্তবতায় এ সফর শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের ক্ষেত্রেও নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
রোহিঙ্গা সংকট, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এ সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সফরের প্রথম দিনেই তিনি প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও গভীর করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, আঞ্চলিক কৌশল এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা সম্পর্কেও মার্কিন পক্ষ মতবিনিময় করবে বলে জানা গেছে।
সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় রোহিঙ্গা সংকট। দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার মানবিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাস্তবতায় এ সফর শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের ক্ষেত্রেও নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন