বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর রেলস্টেশনে একই লাইনে দুটি ট্রেন চলে আসায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেন কয়েকজন যাত্রী। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। তবে চালক ও রেল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজ ট্রেনটি সুখানপুকুর স্টেশনে প্রবেশের সময় বিপরীত দিক থেকে পদ্মরাগ এক্সপ্রেসও একই লাইনে এগিয়ে আসে। দুটি ট্রেন মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসতে দেখে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন যাত্রী চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়লে অন্তত চারজন আহত হন। স্থানীয়ভাবে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে তারা চলে যাওয়ায় আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
সুখানপুকুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল মতিন জানান, কলেজ ট্রেনকে তখনও সিগন্যাল কিংবা লাইন ক্লিয়ার দেওয়া হয়নি। এর আগেই ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে কারও দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট বিভাগের সহকারী সেতু প্রকৌশলী আফজাল হোসেন জানান, টিআই লালমনিরহাট ছহির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন এসএসএই/লোকো ইন্সপেক্টর কাজী সুমন এবং এসএসএই/সিগন্যাল জিয়াউল হক। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর রেলস্টেশনে একই লাইনে দুটি ট্রেন চলে আসায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেন কয়েকজন যাত্রী। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। তবে চালক ও রেল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজ ট্রেনটি সুখানপুকুর স্টেশনে প্রবেশের সময় বিপরীত দিক থেকে পদ্মরাগ এক্সপ্রেসও একই লাইনে এগিয়ে আসে। দুটি ট্রেন মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসতে দেখে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন যাত্রী চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়লে অন্তত চারজন আহত হন। স্থানীয়ভাবে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে তারা চলে যাওয়ায় আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
সুখানপুকুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল মতিন জানান, কলেজ ট্রেনকে তখনও সিগন্যাল কিংবা লাইন ক্লিয়ার দেওয়া হয়নি। এর আগেই ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে কারও দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট বিভাগের সহকারী সেতু প্রকৌশলী আফজাল হোসেন জানান, টিআই লালমনিরহাট ছহির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন এসএসএই/লোকো ইন্সপেক্টর কাজী সুমন এবং এসএসএই/সিগন্যাল জিয়াউল হক। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন