বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাজুড়ে মাদক উৎপাদনের অবকাঠামো গড়ে তুলে দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান। তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
সোমবার (২৭ জুলাই) মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত 'মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা'-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এম নাসের রহমান বলেন, বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে থাকা প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর মাদকের কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য দেশের যুবসমাজকে মাদকাসক্ত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপথে ঠেলে দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে যে বিপুল পরিমাণ মাদক দেশে প্রবেশ করে, তার খুব সামান্য অংশই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়। এ বাস্তবতা মাদক চোরাচালানের ব্যাপকতা ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতিরই প্রতিফলন।
মাদকের বিস্তার রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, সীমান্তবর্তী রুটগুলো দিয়ে যাতে কোনোভাবেই মাদকের চালান দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ও প্রশাসনকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের আয়োজিত এ সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে সবাই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাজুড়ে মাদক উৎপাদনের অবকাঠামো গড়ে তুলে দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান। তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
সোমবার (২৭ জুলাই) মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত 'মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা'-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এম নাসের রহমান বলেন, বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে থাকা প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর মাদকের কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য দেশের যুবসমাজকে মাদকাসক্ত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপথে ঠেলে দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে যে বিপুল পরিমাণ মাদক দেশে প্রবেশ করে, তার খুব সামান্য অংশই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়। এ বাস্তবতা মাদক চোরাচালানের ব্যাপকতা ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতিরই প্রতিফলন।
মাদকের বিস্তার রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, সীমান্তবর্তী রুটগুলো দিয়ে যাতে কোনোভাবেই মাদকের চালান দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ও প্রশাসনকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের আয়োজিত এ সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে সবাই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন