নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় খারিতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের কার্তিকাহার গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, কার্তিকাহার গ্রামের মো. শাহিনের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৮) এবং তার স্বামী মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বেদবাড়িয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে নুর ইসলাম (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কার্তিকাহার গ্রামের একটি খারিতে গোসল করতে যান দম্পতি। প্রথমে নুর ইসলাম পানিতে ঝাঁপ দেন। কিছুক্ষণ পার হলেও তিনি আর ভেসে না উঠলে উদ্বিগ্ন হয়ে স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারও পানিতে নামেন। একপর্যায়ে দুজনই পানির নিচে তলিয়ে যান।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের পানির নিচ থেকে তুলে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, মরদেহ দুটি বর্তমানে হাসপাতালের পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতদের স্বজনরা এলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় খারিতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের কার্তিকাহার গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, কার্তিকাহার গ্রামের মো. শাহিনের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৮) এবং তার স্বামী মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বেদবাড়িয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে নুর ইসলাম (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কার্তিকাহার গ্রামের একটি খারিতে গোসল করতে যান দম্পতি। প্রথমে নুর ইসলাম পানিতে ঝাঁপ দেন। কিছুক্ষণ পার হলেও তিনি আর ভেসে না উঠলে উদ্বিগ্ন হয়ে স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারও পানিতে নামেন। একপর্যায়ে দুজনই পানির নিচে তলিয়ে যান।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের পানির নিচ থেকে তুলে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, মরদেহ দুটি বর্তমানে হাসপাতালের পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতদের স্বজনরা এলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন