খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাবারাং কল্যাণ সমিতি।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফি উল আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিটি পরিবারকে ৮০০ টাকা নগদ অর্থ ছাড়াও একটি বালতি, একটি মগ, শুকনো খাবারের প্যাকেট, ওরস্যালাইন, দুটি সাবান, ৬ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানি, একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং একটি নেলকাটার দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় দীঘিনালার বিভিন্ন ইউনিয়নের বহু পরিবার ঘরবাড়ি, ফসল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্থাটি। ভবিষ্যতেও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রধান অতিথি শফি উল আলম বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাবারাং কল্যাণ সমিতি।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফি উল আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিটি পরিবারকে ৮০০ টাকা নগদ অর্থ ছাড়াও একটি বালতি, একটি মগ, শুকনো খাবারের প্যাকেট, ওরস্যালাইন, দুটি সাবান, ৬ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানি, একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং একটি নেলকাটার দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় দীঘিনালার বিভিন্ন ইউনিয়নের বহু পরিবার ঘরবাড়ি, ফসল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্থাটি। ভবিষ্যতেও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রধান অতিথি শফি উল আলম বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন