চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের পনেরসতী পাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের দুই নারীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আহতদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কৃষক আব্দুল খালেক, তার স্ত্রী সায়রা বেগম, ছেলে তুষার ইমরান এবং মেয়ে সোনিয়া খাতুন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সায়রা বেগমের ওপর পূর্ব বিরোধের জেরে অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, হবি মালিতা, তার দুই ছেলে সুজন মালিতা ও সবুজ মালিতাসহ কয়েকজন রামদা, দা, লোহার রড, হাতুড়ি, শাবল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
সায়রা বেগমের চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধার করতে স্বামী আব্দুল খালেক, ছেলে তুষার ইমরান ও মেয়ে সোনিয়া খাতুন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে পরিবারের চার সদস্যই গুরুতর আহত হন। হামলার সময় তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত হবি মালিতা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অবস্থায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় সোনিয়া খাতুন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় চারজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন, হাসাদহ ইউনিয়নের পনেরসতী পাড়ার মৃত ইসাহক মালিতার ছেলে হবি মালিতা (৫০), তার দুই ছেলে সুজন মালিতা (২৬) ও সবুজ মালিতা (২২) এবং স্ত্রী সুরজিনা বেগম (৪০)।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ ছুটিতে থাকায় ওসি (অপারেশনস) অনুপ কুমার দাস জানান, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত করা হবে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের পনেরসতী পাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের দুই নারীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আহতদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কৃষক আব্দুল খালেক, তার স্ত্রী সায়রা বেগম, ছেলে তুষার ইমরান এবং মেয়ে সোনিয়া খাতুন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সায়রা বেগমের ওপর পূর্ব বিরোধের জেরে অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, হবি মালিতা, তার দুই ছেলে সুজন মালিতা ও সবুজ মালিতাসহ কয়েকজন রামদা, দা, লোহার রড, হাতুড়ি, শাবল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
সায়রা বেগমের চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধার করতে স্বামী আব্দুল খালেক, ছেলে তুষার ইমরান ও মেয়ে সোনিয়া খাতুন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে পরিবারের চার সদস্যই গুরুতর আহত হন। হামলার সময় তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত হবি মালিতা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অবস্থায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় সোনিয়া খাতুন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় চারজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন, হাসাদহ ইউনিয়নের পনেরসতী পাড়ার মৃত ইসাহক মালিতার ছেলে হবি মালিতা (৫০), তার দুই ছেলে সুজন মালিতা (২৬) ও সবুজ মালিতা (২২) এবং স্ত্রী সুরজিনা বেগম (৪০)।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ ছুটিতে থাকায় ওসি (অপারেশনস) অনুপ কুমার দাস জানান, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত করা হবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন