বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি গুরুতর অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম জানান, দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনির জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন রাষ্ট্রপতি। সম্প্রতি তার শরীরে অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি রোগ শনাক্ত হয়। শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।
পদত্যাগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।”
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদের প্রায় পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই তিনি পদত্যাগ করলেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি জানাতে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়।
স্বাস্থ্যগত কারণে গত কয়েক মাস ধরে বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। এর আগে সিঙ্গাপুরে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয় এবং চলতি বছর যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার সময় হৃদযন্ত্রে একটি স্টেন্টও বসানো হয়। সাম্প্রতিক শারীরিক জটিলতার কারণেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি গুরুতর অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম জানান, দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনির জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন রাষ্ট্রপতি। সম্প্রতি তার শরীরে অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি রোগ শনাক্ত হয়। শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।
পদত্যাগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।”
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদের প্রায় পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই তিনি পদত্যাগ করলেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি জানাতে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়।
স্বাস্থ্যগত কারণে গত কয়েক মাস ধরে বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। এর আগে সিঙ্গাপুরে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয় এবং চলতি বছর যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার সময় হৃদযন্ত্রে একটি স্টেন্টও বসানো হয়। সাম্প্রতিক শারীরিক জটিলতার কারণেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন