ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

খাল খনন শেষে অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিল কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন



খাল খনন শেষে অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিল কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে এ অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজু চন্দ্র পাল জানান, উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভূকশিমইল, বরমচাল ও ভাটেরা ইউনিয়নের চকিরমোড়া এলাকা থেকে উত্তরমুখী আন ফানাই পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ৩ দশমিক ০৯ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৮০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত মান বজায় রেখে ৭৫০ মিটার খননকাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয় হয়। তবে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে প্রকল্পের অবশিষ্ট অংশের কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব না হওয়ায় অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুসারে সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ব্যয় নিশ্চিত করে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অব্যবহৃত অর্থ সরকারি বিধি অনুযায়ী কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অসমাপ্ত খননকাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পুনরায় বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


খাল খনন শেষে অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিল কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে এ অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজু চন্দ্র পাল জানান, উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভূকশিমইল, বরমচাল ও ভাটেরা ইউনিয়নের চকিরমোড়া এলাকা থেকে উত্তরমুখী আন ফানাই পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ৩ দশমিক ০৯ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৮০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত মান বজায় রেখে ৭৫০ মিটার খননকাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয় হয়। তবে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে প্রকল্পের অবশিষ্ট অংশের কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব না হওয়ায় অব্যবহৃত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুসারে সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ব্যয় নিশ্চিত করে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অব্যবহৃত অর্থ সরকারি বিধি অনুযায়ী কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অসমাপ্ত খননকাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পুনরায় বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ