সিরাজগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবলু মণ্ডল (৫২) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল পৌনে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত বাবলু মণ্ডল সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি পূর্ব বাহুকা গ্রামের বাসিন্দা এবং রমজান আলীর ছেলে। সিরাজগঞ্জ কারাগারের জেল সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে সদর থানায় দায়ের হওয়া একটি মারামারি ও বিস্ফোরক মামলায় হাজতি আসামি হিসেবে গত ২২ জুন বাবলু মণ্ডলকে কারাগারে আনা হয়। তিনি জানান, কারাগারে আসার পর থেকেই বাবলু শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না। বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে দ্রুত তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ চিকিৎসকদের মতামতের অপেক্ষা রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবলু মণ্ডল (৫২) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল পৌনে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত বাবলু মণ্ডল সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি পূর্ব বাহুকা গ্রামের বাসিন্দা এবং রমজান আলীর ছেলে।
সিরাজগঞ্জ কারাগারের জেল সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে সদর থানায় দায়ের হওয়া একটি মারামারি ও বিস্ফোরক মামলায় হাজতি আসামি হিসেবে গত ২২ জুন বাবলু মণ্ডলকে কারাগারে আনা হয়।
তিনি জানান, কারাগারে আসার পর থেকেই বাবলু শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না। বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে দ্রুত তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ চিকিৎসকদের মতামতের অপেক্ষা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন