চলতি আমন মৌসুমে নীলফামারীতে কৃষকেরা বীজতলা থেকে চারা উত্তোলনে ও জমিতে চারা রোপণে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন। বর্ষার অনুকূল আবহাওয়ার কারণে মাঠে মাঠে এখন উৎসবের আমেজ। সময়মতো রোপণ শেষ করতে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করছেন কৃষকেরা।
নীলফামারী জেলায় চলতি আমন মৌসুমে ১ লাখ ১৩ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এই লক্ষ্যমাত্রা থেকে মোট ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯২ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা সাধারণত ব্রি-৪৯, ব্রি-৭৫, ব্রি-৮০, ব্রি-৮৭ এবং বিনা-১৭ সহ বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাত রোপণে বেশি আগ্রহী।কৃষি বিভাগ আরও জানায়, চলতি আমন মৌসুমে বাম্পার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এ জন্য বিএডিসি পর্যাপ্ত পরিমাণ রাসায়নিক সার কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী আগাম মজুত রেখেছে। জেলার তালিকাভুক্ত সার ডিলারদের মধ্যে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার সরবরাহ করা হয়েছে। প্রত্যেক ডিলারের অধীনে তিনজন করে উপ-ডিলার রয়েছেন।কৃষকদের আমন চাষে রাসায়নিক সারের কোনো ধরনের ঘাটতি না হয়, সে জন্য বাজারে সারের অবাধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, সময়মতো চারা রোপণ করতে পারলে ভালো ফলনের আশা থাকে। তাই বৃষ্টির তোয়াক্কা না করেই তারা কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এ বছর আমনের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আতিক আহমেদ জানান, কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত কাজ করছেন। উন্নত জাতের ধান চাষ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হলে চলতি মৌসুমে আমনের ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
চলতি আমন মৌসুমে নীলফামারীতে কৃষকেরা বীজতলা থেকে চারা উত্তোলনে ও জমিতে চারা রোপণে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন। বর্ষার অনুকূল আবহাওয়ার কারণে মাঠে মাঠে এখন উৎসবের আমেজ। সময়মতো রোপণ শেষ করতে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করছেন কৃষকেরা।
নীলফামারী জেলায় চলতি আমন মৌসুমে ১ লাখ ১৩ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এই লক্ষ্যমাত্রা থেকে মোট ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯২ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা সাধারণত ব্রি-৪৯, ব্রি-৭৫, ব্রি-৮০, ব্রি-৮৭ এবং বিনা-১৭ সহ বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাত রোপণে বেশি আগ্রহী।কৃষি বিভাগ আরও জানায়, চলতি আমন মৌসুমে বাম্পার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এ জন্য বিএডিসি পর্যাপ্ত পরিমাণ রাসায়নিক সার কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী আগাম মজুত রেখেছে। জেলার তালিকাভুক্ত সার ডিলারদের মধ্যে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার সরবরাহ করা হয়েছে। প্রত্যেক ডিলারের অধীনে তিনজন করে উপ-ডিলার রয়েছেন।কৃষকদের আমন চাষে রাসায়নিক সারের কোনো ধরনের ঘাটতি না হয়, সে জন্য বাজারে সারের অবাধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, সময়মতো চারা রোপণ করতে পারলে ভালো ফলনের আশা থাকে। তাই বৃষ্টির তোয়াক্কা না করেই তারা কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এ বছর আমনের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আতিক আহমেদ জানান, কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত কাজ করছেন। উন্নত জাতের ধান চাষ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হলে চলতি মৌসুমে আমনের ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন