গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার আইশ্বিন ফুডস লিমিটেডের কারখানায় সমন্বিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।
সোমবার (২০ জুলাই) কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, গাজীপুরের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩২(ক) ও ৩৮ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি পণ্যের মান যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।
অভিযানে কারখানাটিতে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ছিল খাদ্যপণ্যের লেবেলে প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাদানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ না থাকা, খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের সংরক্ষণ ও লেবেলিংয়ে ত্রুটি, ব্রেডের মেয়াদ ৩০ দিন উল্লেখ করা হলেও তা সমর্থনে সেলফ লাইফ স্টাডি বা কোনো ল্যাব পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখাতে না পারা।
এ ছাড়া উৎপাদিত খাদ্যপণ্য যথাযথভাবে ঢেকে না রাখা, কারখানার ভেতরে মাছির উপস্থিতি, খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের ম্যাটেরিয়াল সেফটি ডাটা শিট (MSDS) ও সার্টিফিকেট অব অ্যানালাইসিস (COA) সংরক্ষণ না করা, খাদ্য উৎপাদনে সংযোজন দ্রব্য নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহারের প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারা এবং বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের চালান ও ক্রয় রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার বিষয়ও ধরা পড়ে।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার আইশ্বিন ফুডস লিমিটেডের কারখানায় সমন্বিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।
সোমবার (২০ জুলাই) কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, গাজীপুরের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩২(ক) ও ৩৮ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি পণ্যের মান যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।
অভিযানে কারখানাটিতে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ছিল খাদ্যপণ্যের লেবেলে প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাদানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ না থাকা, খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের সংরক্ষণ ও লেবেলিংয়ে ত্রুটি, ব্রেডের মেয়াদ ৩০ দিন উল্লেখ করা হলেও তা সমর্থনে সেলফ লাইফ স্টাডি বা কোনো ল্যাব পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখাতে না পারা।
এ ছাড়া উৎপাদিত খাদ্যপণ্য যথাযথভাবে ঢেকে না রাখা, কারখানার ভেতরে মাছির উপস্থিতি, খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের ম্যাটেরিয়াল সেফটি ডাটা শিট (MSDS) ও সার্টিফিকেট অব অ্যানালাইসিস (COA) সংরক্ষণ না করা, খাদ্য উৎপাদনে সংযোজন দ্রব্য নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহারের প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারা এবং বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের চালান ও ক্রয় রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার বিষয়ও ধরা পড়ে।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন