ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন

​ভুল চিকিৎসায় চোখ হারানোর পথে ইজিবাইক চালক, চুয়াডাঙ্গার এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ



​ভুল চিকিৎসায় চোখ হারানোর পথে ইজিবাইক চালক, চুয়াডাঙ্গার এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত এপ্রিল মাসে রশিদুল ইসলামের বাম চোখ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিনি চুয়াডাঙ্গা আই কেয়ারে ডা. এম. বি. আজমের চেম্বারে চিকিৎসা নিতে যান। চিকিৎসক তাকে কিছু ওষুধ ও ড্রপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তবে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ ব্যবহারের সাত দিন পর তার চোখে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রণা শুরু হয়।

​যন্ত্রণা বাড়ায় গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে রশিদুল ইসলাম পুনরায় ওই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অভিযোগ রয়েছে, তখন চিকিৎসক তার চেম্বার থেকে একটি ড্রপ রোগীর চোখে দেন। ওই ড্রপ ব্যবহারের পরপরই চোখের যন্ত্রণা আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং ওই রাতেই তার চোখের মণি গলে যায়।


​পরদিন ১১ মে ২০২৬ তারিখে রোগী গুরুতর অবস্থায় আবারও ডা. এম. বি. আজমের কাছে গেলে তিনি চোখ পরীক্ষার পর জানান যে, এই মুহূর্তে তার আর কিছু করার নেই। তিনি রোগীকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকা  ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।


​ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম জানান, তিনি পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম ইজিবাইকটি এবং সাধের একটি গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। এতেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিতে বাধ্য হয়েছেন।

​চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে তার প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তার বাম চোখটি অস্ত্রোপচার করে তুলে না ফেললে ডান চোখটিও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে।

ভুক্তভোগীর আকুতি: "আমি একজন দরিদ্র মানুষ। ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালাতাম। ভুল চিকিৎসার কারণে আজ আমি অন্ধ হতে চলেছি, পরিবার নিয়ে পথে বসেছি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


​ভুল চিকিৎসায় চোখ হারানোর পথে ইজিবাইক চালক, চুয়াডাঙ্গার এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত এপ্রিল মাসে রশিদুল ইসলামের বাম চোখ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিনি চুয়াডাঙ্গা আই কেয়ারে ডা. এম. বি. আজমের চেম্বারে চিকিৎসা নিতে যান। চিকিৎসক তাকে কিছু ওষুধ ও ড্রপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তবে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ ব্যবহারের সাত দিন পর তার চোখে তীব্র জ্বালা-যন্ত্রণা শুরু হয়।

​যন্ত্রণা বাড়ায় গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে রশিদুল ইসলাম পুনরায় ওই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অভিযোগ রয়েছে, তখন চিকিৎসক তার চেম্বার থেকে একটি ড্রপ রোগীর চোখে দেন। ওই ড্রপ ব্যবহারের পরপরই চোখের যন্ত্রণা আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং ওই রাতেই তার চোখের মণি গলে যায়।


​পরদিন ১১ মে ২০২৬ তারিখে রোগী গুরুতর অবস্থায় আবারও ডা. এম. বি. আজমের কাছে গেলে তিনি চোখ পরীক্ষার পর জানান যে, এই মুহূর্তে তার আর কিছু করার নেই। তিনি রোগীকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকা  ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।


​ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম জানান, তিনি পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম ইজিবাইকটি এবং সাধের একটি গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। এতেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিতে বাধ্য হয়েছেন।

​চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে তার প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তার বাম চোখটি অস্ত্রোপচার করে তুলে না ফেললে ডান চোখটিও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে।

ভুক্তভোগীর আকুতি: "আমি একজন দরিদ্র মানুষ। ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালাতাম। ভুল চিকিৎসার কারণে আজ আমি অন্ধ হতে চলেছি, পরিবার নিয়ে পথে বসেছি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ