যন্ত্রণা বাড়ায় গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে রশিদুল ইসলাম পুনরায় ওই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অভিযোগ রয়েছে, তখন চিকিৎসক তার চেম্বার থেকে একটি ড্রপ রোগীর চোখে দেন। ওই ড্রপ ব্যবহারের পরপরই চোখের যন্ত্রণা আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং ওই রাতেই তার চোখের মণি গলে যায়।
পরদিন ১১ মে ২০২৬ তারিখে রোগী গুরুতর অবস্থায় আবারও ডা. এম. বি. আজমের কাছে গেলে তিনি চোখ পরীক্ষার পর জানান যে, এই মুহূর্তে তার আর কিছু করার নেই। তিনি রোগীকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম জানান, তিনি পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম ইজিবাইকটি এবং সাধের একটি গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। এতেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিতে বাধ্য হয়েছেন।
চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে তার প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তার বাম চোখটি অস্ত্রোপচার করে তুলে না ফেললে ডান চোখটিও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগীর আকুতি: "আমি একজন দরিদ্র মানুষ। ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালাতাম। ভুল চিকিৎসার কারণে আজ আমি অন্ধ হতে চলেছি, পরিবার নিয়ে পথে বসেছি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
যন্ত্রণা বাড়ায় গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে রশিদুল ইসলাম পুনরায় ওই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অভিযোগ রয়েছে, তখন চিকিৎসক তার চেম্বার থেকে একটি ড্রপ রোগীর চোখে দেন। ওই ড্রপ ব্যবহারের পরপরই চোখের যন্ত্রণা আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং ওই রাতেই তার চোখের মণি গলে যায়।
পরদিন ১১ মে ২০২৬ তারিখে রোগী গুরুতর অবস্থায় আবারও ডা. এম. বি. আজমের কাছে গেলে তিনি চোখ পরীক্ষার পর জানান যে, এই মুহূর্তে তার আর কিছু করার নেই। তিনি রোগীকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম জানান, তিনি পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম ইজিবাইকটি এবং সাধের একটি গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। এতেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিতে বাধ্য হয়েছেন।
চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে তার প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তার বাম চোখটি অস্ত্রোপচার করে তুলে না ফেললে ডান চোখটিও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগীর আকুতি: "আমি একজন দরিদ্র মানুষ। ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালাতাম। ভুল চিকিৎসার কারণে আজ আমি অন্ধ হতে চলেছি, পরিবার নিয়ে পথে বসেছি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"

আপনার মতামত লিখুন