ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্সে তিন মাসে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা, মিলল রহস্যময় সোনার চামচ



কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্সে তিন মাসে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা, মিলল রহস্যময় সোনার চামচ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার নগদ ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।


মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় স্থানীয় প্রশাসন, মসজিদ কমিটি ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হয়। পরে দানবাক্সে থাকা অর্থ গণনার কাজ শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম, খাদেম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, এবার দানবাক্স থেকে মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া ভক্তদের মানত হিসেবে দান করা একটি ১৮ ক্যারেটের (ওজন ১.৭৫৭ গ্রাম)একটি সোনার চামুচ, ৬টি নাকফুল, ১টি নোলক, ২টি কানের অলঙ্কার এবং মালয়েশিয়ার ২৫ রিঙ্গিত, ভারতের ৩০ রুপি ও ওমানের ২০০ বাইসা সহ বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।


দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে স্থান পাওয়া এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদে অনেকেই মানত পূরণের উদ্দেশ্যে দান-সদকা করে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস অন্তর দানবাক্স খোলা হয়।


ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা মোস্তফা আল আমিন বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ মানত, দান ও সদকা করে থাকেন। দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ মসজিদের ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ মসজিদের উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হয়।


মসজিদ কমিটির সভাপতি ও মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারের হিসাব সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করে মসজিদের নামে ব্যাংক হিসাবে জমা করা হবে। সেখান থেকে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে এই ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।


মসজিদ কমিটির সম্পাদক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, দানবাক্সের অর্থ স্বচ্ছতার সঙ্গে হিসাব করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। পর্যটকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজেও এই অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকে।


উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্স প্রতি তিন মাস অন্তর খোলা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্সে তিন মাসে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা, মিলল রহস্যময় সোনার চামচ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার নগদ ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।


মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় স্থানীয় প্রশাসন, মসজিদ কমিটি ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হয়। পরে দানবাক্সে থাকা অর্থ গণনার কাজ শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম, খাদেম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, এবার দানবাক্স থেকে মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া ভক্তদের মানত হিসেবে দান করা একটি ১৮ ক্যারেটের (ওজন ১.৭৫৭ গ্রাম)একটি সোনার চামুচ, ৬টি নাকফুল, ১টি নোলক, ২টি কানের অলঙ্কার এবং মালয়েশিয়ার ২৫ রিঙ্গিত, ভারতের ৩০ রুপি ও ওমানের ২০০ বাইসা সহ বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।


দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি দেখতে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় জমান। বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে স্থান পাওয়া এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদে অনেকেই মানত পূরণের উদ্দেশ্যে দান-সদকা করে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস অন্তর দানবাক্স খোলা হয়।


ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা মোস্তফা আল আমিন বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ মানত, দান ও সদকা করে থাকেন। দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ মসজিদের ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ মসজিদের উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হয়।


মসজিদ কমিটির সভাপতি ও মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারের হিসাব সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করে মসজিদের নামে ব্যাংক হিসাবে জমা করা হবে। সেখান থেকে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে এই ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।


মসজিদ কমিটির সম্পাদক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, দানবাক্সের অর্থ স্বচ্ছতার সঙ্গে হিসাব করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। পর্যটকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজেও এই অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকে।


উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী মসজিদের দানবাক্স প্রতি তিন মাস অন্তর খোলা হয়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ