দেশের আট জেলায় চলমান বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ লাখেরও বেশি মানুষ। দুর্গতদের সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও শিগগির দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, বন্যায় মোট আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। পাশাপাশি পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ সমতল এলাকায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, বন্যার পানিতে অনেক এলাকার ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী দুই দিনের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বন্যাকবলিত এলাকায় নতুন বীজতলা প্রস্তুত করা হবে। সেখান থেকে উৎপাদিত ধানের চারা কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে, যাতে দ্রুত কৃষি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যাদুর্গত মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসহ সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
দেশের আট জেলায় চলমান বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ লাখেরও বেশি মানুষ। দুর্গতদের সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও শিগগির দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, বন্যায় মোট আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। পাশাপাশি পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ সমতল এলাকায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, বন্যার পানিতে অনেক এলাকার ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী দুই দিনের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বন্যাকবলিত এলাকায় নতুন বীজতলা প্রস্তুত করা হবে। সেখান থেকে উৎপাদিত ধানের চারা কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে, যাতে দ্রুত কৃষি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা যায়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যাদুর্গত মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসহ সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন