গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্ত্রীকে মারধরের পাশাপাশি তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। এ সময় দুই শিশুসন্তানসহ তাদের ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মা ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করে অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের গয়লাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক নাজমুল শেখ (৩৫) ওই গ্রামের নওয়াব আলী শেখের ছেলে।
ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম (২৫) অভিযোগ করেন, তার স্বামী নাজমুল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। সোমবার রাতে নেশার জন্য টাকা চাইলে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুল তাকে রাতভর মারধর করেন। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেন এবং চার বছর বয়সী ছেলে মুছা ও আট বছর বয়সী ছেলে রায়হানকে নিয়ে তার হাত-পা বেঁধে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে জিম্মি করে রাখেন।
সোনিয়ার দাবি, এর আগেও একাধিকবার স্বামীর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে নাজমুলের দাবি, তার স্ত্রী প্রায়ই বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই কারণেই তিনি এমন কাজ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, নাজমুল প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের পরিবারে অশান্তি চলছিল। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ইমাম হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে সোনিয়া বেগম ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত নাজমুল শেখকে আটক করে মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) খোন্দকার মোহাম্মদ আরঙ্গজেব বলেন, স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে নাজমুল শেখকে আটক করে মুকসুদপুর থানায় পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্ত্রীকে মারধরের পাশাপাশি তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। এ সময় দুই শিশুসন্তানসহ তাদের ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মা ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করে অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের গয়লাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক নাজমুল শেখ (৩৫) ওই গ্রামের নওয়াব আলী শেখের ছেলে।
ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম (২৫) অভিযোগ করেন, তার স্বামী নাজমুল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। সোমবার রাতে নেশার জন্য টাকা চাইলে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুল তাকে রাতভর মারধর করেন। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেন এবং চার বছর বয়সী ছেলে মুছা ও আট বছর বয়সী ছেলে রায়হানকে নিয়ে তার হাত-পা বেঁধে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে জিম্মি করে রাখেন।
সোনিয়ার দাবি, এর আগেও একাধিকবার স্বামীর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে নাজমুলের দাবি, তার স্ত্রী প্রায়ই বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই কারণেই তিনি এমন কাজ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, নাজমুল প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের পরিবারে অশান্তি চলছিল। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ইমাম হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে সোনিয়া বেগম ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত নাজমুল শেখকে আটক করে মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) খোন্দকার মোহাম্মদ আরঙ্গজেব বলেন, স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে নাজমুল শেখকে আটক করে মুকসুদপুর থানায় পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন