গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি স্বর্ণের দোকানে সিঁধ কেটে লুটের ঘটনায় কারাগারে থাকা দুই আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে। গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর পুলিশ ওই দুই আসামিকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কবির ওরফে ফরমা কবির এবং কবির হোসেন।
বাদীর আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং ঘটনার মূল হোতাদের শনাক্ত করতে রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর সকালে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তার কাছে 'রিতা জুয়েলার্স' নামের একটি দোকানে সিঁধ কেটে লুট চালানো হয়। দোকান বন্ধ থাকা অবস্থায় একদল যুবক দোকানের সাইনবোর্ড খুলে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
দোকানের মালিকের করা মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। দোকান মালিক বলেন, দিনদুপুরে তাঁর দোকানে পরিকল্পিতভাবে হামলা হয়েছে। তিনি পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং মূল হোতাদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
শ্রীপুর থানার ওসি আবদুল বারিক জানান, রিমান্ডে নেওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি স্বর্ণের দোকানে সিঁধ কেটে লুটের ঘটনায় কারাগারে থাকা দুই আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে। গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর পুলিশ ওই দুই আসামিকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কবির ওরফে ফরমা কবির এবং কবির হোসেন।
বাদীর আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং ঘটনার মূল হোতাদের শনাক্ত করতে রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর সকালে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তার কাছে 'রিতা জুয়েলার্স' নামের একটি দোকানে সিঁধ কেটে লুট চালানো হয়। দোকান বন্ধ থাকা অবস্থায় একদল যুবক দোকানের সাইনবোর্ড খুলে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
দোকানের মালিকের করা মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। দোকান মালিক বলেন, দিনদুপুরে তাঁর দোকানে পরিকল্পিতভাবে হামলা হয়েছে। তিনি পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং মূল হোতাদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
শ্রীপুর থানার ওসি আবদুল বারিক জানান, রিমান্ডে নেওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন