সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে মেঘাই বাজারে দুটি ও হরিনাথপুর ঘর থেকে আলাদাভাবে জব্দকৃত প্রায় সাড়ে ১৭ টন সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করেছেন উপজেলা প্রশাসন। একই সাথে তিনশ তিনটি খালি বস্তার নিলামও অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে কাজিপুর উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে (মেঘাই) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা জাহান সুমাইয়া এর উপস্থিতিতে প্রকাশ্য নিলাম ডাকের মাধ্যমে এই চাল বিক্রি করা হয়।
জব্দ করা সরকারি খাদ্যবান্ধবের চাল নিলামে বিক্রির জন্য ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে খাদ্য গুদাম চত্বরে প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নিলাম কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এতে চালের প্রথম নিলামে ৩০ জন, দ্বিতীয় নিলামে ২৪ জন ও খালি বস্তার নিলামে ১৩ জন ব্যবসায়ী অংশ নেন।
উপজেলা খাদ্যগুদাম সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন মাস আগে দুই ধাপে প্রায় সাড়ে ১৭ টন সরকারি চাল জব্দ করেন প্রশাসন। সেই জব্দকৃত চাল নিয়মানুযায়ী উন্মুক্ত নিলাম করে কর্তৃপক্ষ। এর আগে নিলাম বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়।
প্রথম ১১ দশমিক ৪৭ টন চাল প্রতি কেজি ২৪ টাকা ২০ পয়সা দরে সর্বোচ্চ দরদাতা এনামুল হক এবং দ্বিতীয় ৫ দশমিক ৫৫ টন চালের প্রতি কেজি ২৪ টাকা ১০ পয়সা দরে সর্বোচ্চ দরদাতা নজরুল ইসলাম কিনে নেন। পরে ১৪ টাকা ১৫ পয়সা দরে তিনশ তিনটি খালি বস্তা কিনে নেন সর্বোচ্চ দরদাতা হাসান আলী। এতে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ মোট ৫ লাখ ১৬ হাজার ৬৭০ টাকা রাজস্ব আয় হয়। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যেই নিলামে বিজয়ীরা তাদের মালামাল যথাযথ নিয়মে বুঝে নিবেন।
উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নিলাম কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল আলম, থানা অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম ও খাদ্য গুদাম অফিসার ইনচার্জ ওলিউর রহমান প্রমুখ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে মেঘাই বাজারে দুটি ও হরিনাথপুর ঘর থেকে আলাদাভাবে জব্দকৃত প্রায় সাড়ে ১৭ টন সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করেছেন উপজেলা প্রশাসন। একই সাথে তিনশ তিনটি খালি বস্তার নিলামও অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে কাজিপুর উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে (মেঘাই) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা জাহান সুমাইয়া এর উপস্থিতিতে প্রকাশ্য নিলাম ডাকের মাধ্যমে এই চাল বিক্রি করা হয়।
জব্দ করা সরকারি খাদ্যবান্ধবের চাল নিলামে বিক্রির জন্য ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে খাদ্য গুদাম চত্বরে প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নিলাম কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এতে চালের প্রথম নিলামে ৩০ জন, দ্বিতীয় নিলামে ২৪ জন ও খালি বস্তার নিলামে ১৩ জন ব্যবসায়ী অংশ নেন।
উপজেলা খাদ্যগুদাম সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন মাস আগে দুই ধাপে প্রায় সাড়ে ১৭ টন সরকারি চাল জব্দ করেন প্রশাসন। সেই জব্দকৃত চাল নিয়মানুযায়ী উন্মুক্ত নিলাম করে কর্তৃপক্ষ। এর আগে নিলাম বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়।
প্রথম ১১ দশমিক ৪৭ টন চাল প্রতি কেজি ২৪ টাকা ২০ পয়সা দরে সর্বোচ্চ দরদাতা এনামুল হক এবং দ্বিতীয় ৫ দশমিক ৫৫ টন চালের প্রতি কেজি ২৪ টাকা ১০ পয়সা দরে সর্বোচ্চ দরদাতা নজরুল ইসলাম কিনে নেন। পরে ১৪ টাকা ১৫ পয়সা দরে তিনশ তিনটি খালি বস্তা কিনে নেন সর্বোচ্চ দরদাতা হাসান আলী। এতে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ মোট ৫ লাখ ১৬ হাজার ৬৭০ টাকা রাজস্ব আয় হয়। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যেই নিলামে বিজয়ীরা তাদের মালামাল যথাযথ নিয়মে বুঝে নিবেন।
উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নিলাম কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল আলম, থানা অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম ও খাদ্য গুদাম অফিসার ইনচার্জ ওলিউর রহমান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন