লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের মাঝিরগাঁও এলাকায় অবস্থিত জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ঐতিহ্যবাহী ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায়ে দারুল উলূম মাদানিয়া আবারও এক বিরল নজির স্থাপন করেছে। এই মাদ্রাসার দুই মেধাবী শিক্ষার্থী অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে পবিত্র কোরআন মজিদের সম্পূর্ণ অংশ মুখস্থ (হিফজ) করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।
এই দুই মেধাবী হাফেজ হলেন মোহাম্মদুল্লাহ এবং জাহিদ হাসান। হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ মাত্র ৪ মাস ১৫ দিনে পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন, অন্যদিকে হাফেজ জাহিদ হাসানের সময় লেগেছে ৪ মাস ২০ দিন। তাঁদের এই অসাধারণ সাফল্য প্রতিষ্ঠানটির গৌরব আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মাওলানা রফিকুল ইসলামের ছেলে। অন্যজন হাফেজ জাহিদ হাসান রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং তাঁর পিতা বেল্লাল হোসেন।
মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান এই সাফল্য প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, এত অল্প সময়ে হিফজ সম্পন্ন করা সত্যিই একটি বিরল ঘটনা। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কঠোর নিষ্ঠা, নিরলস পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের আন্তরিক তত্ত্বাবধানের ফলেই এমন ঈর্ষণীয় সফলতা এসেছে। হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ইউছুফ মাহমুদির মতে, এই দুজন শিক্ষার্থীই ছিলেন অত্যন্ত মনোযোগী ও নিয়মিত। আল্লাহর মেহেরবানিতে তাঁরা দ্রুত হিফজ শেষ করতে পেরেছেন।
নিজেদের এই অর্জনের অনুভূতি জানাতে গিয়ে হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ বলেন, এত অল্প সময়ে হিফজ শেষ করতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত। তাঁর এই সাফল্যে হুজুরদের পরিশ্রম ও বাবা-মায়ের দোয়া তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে। অন্যদিকে হাফেজ জাহিদ হাসান জানান, কোরআনের হাফেজ হওয়া ছিল তাঁর ছোটবেলার স্বপ্ন। আল্লাহর রহমত এবং হুজুরদের দোয়া-সহযোগিতায় তিনি সেই স্বপ্ন সফল করতে পেরেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের মাঝিরগাঁও এলাকায় অবস্থিত জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ঐতিহ্যবাহী ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায়ে দারুল উলূম মাদানিয়া আবারও এক বিরল নজির স্থাপন করেছে। এই মাদ্রাসার দুই মেধাবী শিক্ষার্থী অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে পবিত্র কোরআন মজিদের সম্পূর্ণ অংশ মুখস্থ (হিফজ) করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।
এই দুই মেধাবী হাফেজ হলেন মোহাম্মদুল্লাহ এবং জাহিদ হাসান। হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ মাত্র ৪ মাস ১৫ দিনে পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন, অন্যদিকে হাফেজ জাহিদ হাসানের সময় লেগেছে ৪ মাস ২০ দিন। তাঁদের এই অসাধারণ সাফল্য প্রতিষ্ঠানটির গৌরব আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মাওলানা রফিকুল ইসলামের ছেলে। অন্যজন হাফেজ জাহিদ হাসান রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং তাঁর পিতা বেল্লাল হোসেন।
মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান এই সাফল্য প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, এত অল্প সময়ে হিফজ সম্পন্ন করা সত্যিই একটি বিরল ঘটনা। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কঠোর নিষ্ঠা, নিরলস পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের আন্তরিক তত্ত্বাবধানের ফলেই এমন ঈর্ষণীয় সফলতা এসেছে। হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ইউছুফ মাহমুদির মতে, এই দুজন শিক্ষার্থীই ছিলেন অত্যন্ত মনোযোগী ও নিয়মিত। আল্লাহর মেহেরবানিতে তাঁরা দ্রুত হিফজ শেষ করতে পেরেছেন।
নিজেদের এই অর্জনের অনুভূতি জানাতে গিয়ে হাফেজ মোহাম্মদুল্লাহ বলেন, এত অল্প সময়ে হিফজ শেষ করতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত। তাঁর এই সাফল্যে হুজুরদের পরিশ্রম ও বাবা-মায়ের দোয়া তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে। অন্যদিকে হাফেজ জাহিদ হাসান জানান, কোরআনের হাফেজ হওয়া ছিল তাঁর ছোটবেলার স্বপ্ন। আল্লাহর রহমত এবং হুজুরদের দোয়া-সহযোগিতায় তিনি সেই স্বপ্ন সফল করতে পেরেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন