বাংলাদেশ পুলিশে প্রথমবারের মতো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলায় তিন দিনব্যাপী মাঠ পর্যায়ের শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৪ জুন শুরু হওয়া এ কার্যক্রম আজ শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে শেষ হয়।
"সেবার ব্রতে চাকরি" স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এ নিয়োগ কার্যক্রমের প্রথম দিন উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি এআইজি (ইন্সপেকশন-২) নিশাত এ্যঞ্জেলা এবং নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চাকরিপ্রত্যাশীদের শারীরিক মাপ ও প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কঠোর ও নিবিড় বাছাই প্রক্রিয়া শেষে শারীরিকভাবে যোগ্য বিবেচিত ১৪৭ জন প্রার্থী পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তীতে মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক হওয়া সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
"এএসআই পদে নিয়োগ হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত। শারীরিক পরীক্ষায় যোগ্য বিবেচিত হয়ে অন্যান্য পরীক্ষায় ভালো ফল করা প্রার্থীরাই মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ পাবেন।" — মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ
পুলিশ সুপার আরও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন, চাকরিপ্রত্যাশী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা যেন কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত না হন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হচ্ছে বিধায় অনৈতিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে তিনি সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ পুলিশে প্রথমবারের মতো ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলায় তিন দিনব্যাপী মাঠ পর্যায়ের শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৪ জুন শুরু হওয়া এ কার্যক্রম আজ শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে শেষ হয়।
"সেবার ব্রতে চাকরি" স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এ নিয়োগ কার্যক্রমের প্রথম দিন উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি এআইজি (ইন্সপেকশন-২) নিশাত এ্যঞ্জেলা এবং নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চাকরিপ্রত্যাশীদের শারীরিক মাপ ও প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কঠোর ও নিবিড় বাছাই প্রক্রিয়া শেষে শারীরিকভাবে যোগ্য বিবেচিত ১৪৭ জন প্রার্থী পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তীতে মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক হওয়া সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
"এএসআই পদে নিয়োগ হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত। শারীরিক পরীক্ষায় যোগ্য বিবেচিত হয়ে অন্যান্য পরীক্ষায় ভালো ফল করা প্রার্থীরাই মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ পাবেন।" — মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ
পুলিশ সুপার আরও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন, চাকরিপ্রত্যাশী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা যেন কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত না হন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হচ্ছে বিধায় অনৈতিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে তিনি সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন