ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

দাম নিয়ে হতাশা নীলফামারীর আঁখ চাষিদের


সেলিম রেজা,স্টাফ রিপোর্টার
সেলিম রেজা,স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬

দাম নিয়ে হতাশা নীলফামারীর আঁখ চাষিদের

নীলফামারীতে আঁখ চাষে ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং সরকারি প্রণোদনার অভাব প্রধান সমস্যা। উৎপাদন খরচের তুলনায় মুনাফা কম হওয়ায় এবং বাজারমূল্য ওঠানামা করায় কৃষকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তত্ত্বমতে চলতি বছরে জেলায় কৃষকেরা ২০০ হেক্টর জমিতে আঁখ চাষ করেছে যা গত বছরের তুলনায় অনেকবেশি।কিন্তু 

আবহাওয়া তারতম্য থাকায় নানান রোগবালাই লেগে আছে।নানা প্রকার কীটনাশক প্রয়োগ করেও আঁখের রোগবালাই দূর করতে পারতেছে না।

সরজমিনে সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নে একাধিক আঁখ চাষিদের সাথে কথা বললে তারা জানান যে,চলতি মৌসুমে আকাশের বৃষ্টির কারণে পচনশীল রোগ বেশি হচ্ছে যা আঁখ চাষিদের মাঝে হতাশাজনক। এছাড়া সার,কীটনাশক ও মজুরি দাম বেশি থাকায় গত বছরের তুলনায় ক্ষতির মুখোমুখি। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পক্ষ থেকে তাদের মাঝে প্রণোদনা দিলে খানিকটা স্বস্তিতে ফিরে আসবে সেই সাথে আগ্রহ বাড়বে আখ চাষে।

আঁখ চাষি রবি মিয়া বলেন বিগত কয়েকবছর যাবত চাষাবাদ করে আসতেছি এবং এ চাষে বেশ লাভজনকও হয়েছি।প্রতি বিঘা আখ চাষে খরচ হয় প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা।রোগবালাই ও আবহাওয়া অনুকূল থাকলে প্রতিবিঘা দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি হয়।তিনি আরও বলেন জেলা জুড়ে আমাদের এদিকে আঁখের প্রচুর পরিমাণ চাহিদা।

 গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা মতিন মিয়া বলেন উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা আঁখের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও সরকারি সহায়তা প্রদান না করা হলে আঁখের চাষাবাদে অনাগ্রহ হবে তারা।

কলেজ শিক্ষক আবু তালেব বলেন,সরকারি চিনিকলগুলোতে আঁখের দাম সহনশীল ও কৃষকদের পাওনা সময়মতো পরিশোধ করার আহবান জানান। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক মোছা: হোমায়রা বলেন আঁখ চাষিদের যেকোনো সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ পাশে থাকবে।তিনি আরও বলেন নীলফামারী অঞ্চলে (বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা ও সদর উপজেলায়) আঁখ চাষে উপযোগী। এছাড়া এসব আঁখ রসালো এবং সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদাও ব্যাপক।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


দাম নিয়ে হতাশা নীলফামারীর আঁখ চাষিদের

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

নীলফামারীতে আঁখ চাষে ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং সরকারি প্রণোদনার অভাব প্রধান সমস্যা। উৎপাদন খরচের তুলনায় মুনাফা কম হওয়ায় এবং বাজারমূল্য ওঠানামা করায় কৃষকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তত্ত্বমতে চলতি বছরে জেলায় কৃষকেরা ২০০ হেক্টর জমিতে আঁখ চাষ করেছে যা গত বছরের তুলনায় অনেকবেশি।কিন্তু 

আবহাওয়া তারতম্য থাকায় নানান রোগবালাই লেগে আছে।নানা প্রকার কীটনাশক প্রয়োগ করেও আঁখের রোগবালাই দূর করতে পারতেছে না।

সরজমিনে সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নে একাধিক আঁখ চাষিদের সাথে কথা বললে তারা জানান যে,চলতি মৌসুমে আকাশের বৃষ্টির কারণে পচনশীল রোগ বেশি হচ্ছে যা আঁখ চাষিদের মাঝে হতাশাজনক। এছাড়া সার,কীটনাশক ও মজুরি দাম বেশি থাকায় গত বছরের তুলনায় ক্ষতির মুখোমুখি। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পক্ষ থেকে তাদের মাঝে প্রণোদনা দিলে খানিকটা স্বস্তিতে ফিরে আসবে সেই সাথে আগ্রহ বাড়বে আখ চাষে।

আঁখ চাষি রবি মিয়া বলেন বিগত কয়েকবছর যাবত চাষাবাদ করে আসতেছি এবং এ চাষে বেশ লাভজনকও হয়েছি।প্রতি বিঘা আখ চাষে খরচ হয় প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা।রোগবালাই ও আবহাওয়া অনুকূল থাকলে প্রতিবিঘা দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি হয়।তিনি আরও বলেন জেলা জুড়ে আমাদের এদিকে আঁখের প্রচুর পরিমাণ চাহিদা।

 গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা মতিন মিয়া বলেন উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা আঁখের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও সরকারি সহায়তা প্রদান না করা হলে আঁখের চাষাবাদে অনাগ্রহ হবে তারা।

কলেজ শিক্ষক আবু তালেব বলেন,সরকারি চিনিকলগুলোতে আঁখের দাম সহনশীল ও কৃষকদের পাওনা সময়মতো পরিশোধ করার আহবান জানান। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক মোছা: হোমায়রা বলেন আঁখ চাষিদের যেকোনো সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ পাশে থাকবে।তিনি আরও বলেন নীলফামারী অঞ্চলে (বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা ও সদর উপজেলায়) আঁখ চাষে উপযোগী। এছাড়া এসব আঁখ রসালো এবং সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদাও ব্যাপক।



দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ