সব ধরনের প্রশাসনিক নিয়মতান্ত্রিকতা, যাচাই-বাছাই ও চিকিৎসা কার্যক্রম শেষ করে অবশেষে নতুন ঠিকানা পেল মহাসড়কের পাশে ফেলে যাওয়া সেই নবজাতক ছেলে শিশু। গত ২৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার নয় মাইল এলাকায় মহাসড়কের ধারে কাঁদতে থাকা এই নবজাতককে প্রথম দেখতে পান বগুড়ার শেরপুর উপজেলার দুই হৃদয়বান যুবক—মো. হামিম (পিতা: আহসানুল কবীর, গ্রাম কালদাপাড়া) ও মো. তানভীর (পিতা: মহাজ্জল হোসেন, গ্রাম মহিপুর)। তাদের মানবিকতায় রক্ষা পায় নবজাতকের জীবন। তাঁরা ক্ষণিকের দেরি না করে শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পৌঁছে দেন। জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নবজাতক শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য মোট দশ জন আবেদন করেন। যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া, যাচাই-বাছাই ও নথিপত্র পরীক্ষা শেষে একজনকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়। এরপর শাজাহানপুর উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ এবং শজিমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে গতকাল শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা দুইটার দিকে নবজাতকটিকে নতুন ঠিকানায় আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। মানবিক উদ্যোগের জন্য হামিম ও তানভীরের প্রতি স্থানীয়রা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
সব ধরনের প্রশাসনিক নিয়মতান্ত্রিকতা, যাচাই-বাছাই ও চিকিৎসা কার্যক্রম শেষ করে অবশেষে নতুন ঠিকানা পেল মহাসড়কের পাশে ফেলে যাওয়া সেই নবজাতক ছেলে শিশু। গত ২৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার নয় মাইল এলাকায় মহাসড়কের ধারে কাঁদতে থাকা এই নবজাতককে প্রথম দেখতে পান বগুড়ার শেরপুর উপজেলার দুই হৃদয়বান যুবক—মো. হামিম (পিতা: আহসানুল কবীর, গ্রাম কালদাপাড়া) ও মো. তানভীর (পিতা: মহাজ্জল হোসেন, গ্রাম মহিপুর)। তাদের মানবিকতায় রক্ষা পায় নবজাতকের জীবন। তাঁরা ক্ষণিকের দেরি না করে শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পৌঁছে দেন। জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নবজাতক শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য মোট দশ জন আবেদন করেন। যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া, যাচাই-বাছাই ও নথিপত্র পরীক্ষা শেষে একজনকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়। এরপর শাজাহানপুর উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ এবং শজিমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে গতকাল শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা দুইটার দিকে নবজাতকটিকে নতুন ঠিকানায় আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। মানবিক উদ্যোগের জন্য হামিম ও তানভীরের প্রতি স্থানীয়রা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন