শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে নায়েবে আমির হিসেবে শপথ নিলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম। এর আগে এদিন সকালে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ২০২৬-২৮ মেয়াদে নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য এটিএম আজহারুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেন। এদিকে জামায়াত আমির মজলিসে শূরার সাথে পরামর্শ করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতারা বিগত সেশনে যিনি যে দায়িত্বে ছিলেন সেই দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে রংপুরে সংঘটিত গণহত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতনসহ মোট ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে এটিএম আজহারকে মৃত্যুদণ্ড ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করলে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই তিনি রিভিউ আবেদন করেন, যেখানে চৌদ্দটি যুক্তি তুলে ধরা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ফলে দেশের পট পরিবর্তন হয়। এরপর চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এটিএম আজহারের আপিল শুনানির অনুমতি দেন। নিয়মিত আপিলের শুনানি শেষে ২৭ মে আদালত রায় ঘোষণা করেন, যেখানে তাঁকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। ফলে প্রায় তেরো বছর কারাবন্দি থাকার পর গত ২৮ মে কারামুক্ত হন আজহারুল ইসলাম। কারামুক্ত হওয়ার পর তাঁকে নির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করে জামায়াতে ইসলামী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে নায়েবে আমির হিসেবে শপথ নিলেন এটিএম আজহারুল ইসলাম। এর আগে এদিন সকালে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ২০২৬-২৮ মেয়াদে নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য এটিএম আজহারুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেন। এদিকে জামায়াত আমির মজলিসে শূরার সাথে পরামর্শ করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতারা বিগত সেশনে যিনি যে দায়িত্বে ছিলেন সেই দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে রংপুরে সংঘটিত গণহত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতনসহ মোট ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে এটিএম আজহারকে মৃত্যুদণ্ড ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করলে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ তাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই তিনি রিভিউ আবেদন করেন, যেখানে চৌদ্দটি যুক্তি তুলে ধরা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ফলে দেশের পট পরিবর্তন হয়। এরপর চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এটিএম আজহারের আপিল শুনানির অনুমতি দেন। নিয়মিত আপিলের শুনানি শেষে ২৭ মে আদালত রায় ঘোষণা করেন, যেখানে তাঁকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। ফলে প্রায় তেরো বছর কারাবন্দি থাকার পর গত ২৮ মে কারামুক্ত হন আজহারুল ইসলাম। কারামুক্ত হওয়ার পর তাঁকে নির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করে জামায়াতে ইসলামী।

আপনার মতামত লিখুন