কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার অধীন ৪ নং পূর্ব ধইর পূর্ব ইউনিয়নের কোরবানপুর দক্ষিণ পাড়ায় শিশুদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. কাশেম মিয়া ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রতিপক্ষ আজিজুল হক মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ঘরে প্রবেশ করে হামলা, মারধর ও মূল্যবান মালামাল লুটপাট করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, আজিজুল হক একজন সহজ-সরল মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। শিশুদের সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা ও লুটপাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, গ্রাম পুলিশের মতো দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির মাধ্যমে এ ধরনের আচরণ শুধু অন্যায় নয়, এটি দায়িত্বজ্ঞানহীনতার চরম উদাহরণ।
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মুরাদনগরবাসী প্রশাসনসহ গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাঁরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। স্থানীয়রা মনে করছেন, এমন ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকায় অশান্তি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপই পারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার অধীন ৪ নং পূর্ব ধইর পূর্ব ইউনিয়নের কোরবানপুর দক্ষিণ পাড়ায় শিশুদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. কাশেম মিয়া ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রতিপক্ষ আজিজুল হক মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ঘরে প্রবেশ করে হামলা, মারধর ও মূল্যবান মালামাল লুটপাট করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, আজিজুল হক একজন সহজ-সরল মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। শিশুদের সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা ও লুটপাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, গ্রাম পুলিশের মতো দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির মাধ্যমে এ ধরনের আচরণ শুধু অন্যায় নয়, এটি দায়িত্বজ্ঞানহীনতার চরম উদাহরণ।
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মুরাদনগরবাসী প্রশাসনসহ গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাঁরা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। স্থানীয়রা মনে করছেন, এমন ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকায় অশান্তি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপই পারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

আপনার মতামত লিখুন