শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৬’-এর জন্য যোগ্য প্রার্থীদের খুঁজছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে যোগ্য নারীদের মনোনয়ন পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নারী শিক্ষা, শিক্ষার প্রসার, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন এবং সমাজে নারী শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা নারীদের এই পদকের জন্য বিবেচনা করা হবে। মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রার্থীর শিক্ষাগত অর্জন, কর্মজীবনের সাফল্য, গবেষণা কার্যক্রম, প্রকাশনা, সামাজিক অবদান এবং বিভিন্ন সম্মাননা ও পুরস্কারের তথ্য মূল্যায়ন করা হবে।
বেগম রোকেয়া পদক বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়। নারী শিক্ষা, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখা নারীরা এই সম্মাননার জন্য মনোনীত হতে পারেন।
সরকার আশা করছে, দেশের শিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণী ও যোগ্য নারীদের মনোনয়নের মাধ্যমে তাঁদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া-এর স্মৃতিকে ধারণ করে ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করে আসছে। এটি দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৬’-এর জন্য যোগ্য প্রার্থীদের খুঁজছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে যোগ্য নারীদের মনোনয়ন পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নারী শিক্ষা, শিক্ষার প্রসার, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন এবং সমাজে নারী শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা নারীদের এই পদকের জন্য বিবেচনা করা হবে। মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রার্থীর শিক্ষাগত অর্জন, কর্মজীবনের সাফল্য, গবেষণা কার্যক্রম, প্রকাশনা, সামাজিক অবদান এবং বিভিন্ন সম্মাননা ও পুরস্কারের তথ্য মূল্যায়ন করা হবে।
বেগম রোকেয়া পদক বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়। নারী শিক্ষা, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখা নারীরা এই সম্মাননার জন্য মনোনীত হতে পারেন।
সরকার আশা করছে, দেশের শিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণী ও যোগ্য নারীদের মনোনয়নের মাধ্যমে তাঁদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া-এর স্মৃতিকে ধারণ করে ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করে আসছে। এটি দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন