কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, হঠাৎ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়, ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে। এছাড়া বিদ্যুতের অভাবে দৈনন্দিন নানা কাজকর্মেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ দাবিতে তারা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন এবং দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।
তবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এদিকে স্থানীয়রা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। তাদের দাবি, মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা জরুরি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, হঠাৎ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়, ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে। এছাড়া বিদ্যুতের অভাবে দৈনন্দিন নানা কাজকর্মেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ দাবিতে তারা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন এবং দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।
তবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এদিকে স্থানীয়রা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। তাদের দাবি, মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন