দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ৪ হাজার ৪৬০টি বিদ্যালয়ের জরুরি মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন, শ্রেণিকক্ষ, ছাদ, দেয়াল, টয়লেট, দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধানে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ বিদ্যালয়গুলোর প্রয়োজন ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বিবেচনায় ব্যয় করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনেক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছোটখাটো মেরামতের প্রয়োজন থাকলেও অর্থের অভাবে কাজগুলো সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। নতুন এই বরাদ্দের মাধ্যমে জরুরি সংস্কার কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে, যা শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ করবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ উদ্যোগ দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ৪ হাজার ৪৬০টি বিদ্যালয়ের জরুরি মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন, শ্রেণিকক্ষ, ছাদ, দেয়াল, টয়লেট, দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধানে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ বিদ্যালয়গুলোর প্রয়োজন ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বিবেচনায় ব্যয় করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনেক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছোটখাটো মেরামতের প্রয়োজন থাকলেও অর্থের অভাবে কাজগুলো সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। নতুন এই বরাদ্দের মাধ্যমে জরুরি সংস্কার কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে, যা শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ করবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ উদ্যোগ দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন