ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দরিদ্র ও প্রান্তিক মহিলা খামারিদের স্বাবলম্বী করতে ৪০০টি মুরগির বাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত সুবিধাভোগী নারীদের মাঝে বাচ্চাগুলো বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, হাঁস-মুরগি পালন গ্রামীণ নারীদের জন্য আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এ ধরনের সহায়তা তাদের পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের মুরগি পালনের বিভিন্ন কৌশল, রোগ প্রতিরোধ এবং পরিচর্যা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্ষুদ্র খামারিদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উপকারভোগী নারীরা এ সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এর মাধ্যমে নিজেদের আর্থিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দরিদ্র ও প্রান্তিক মহিলা খামারিদের স্বাবলম্বী করতে ৪০০টি মুরগির বাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত সুবিধাভোগী নারীদের মাঝে বাচ্চাগুলো বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, হাঁস-মুরগি পালন গ্রামীণ নারীদের জন্য আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এ ধরনের সহায়তা তাদের পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের মুরগি পালনের বিভিন্ন কৌশল, রোগ প্রতিরোধ এবং পরিচর্যা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্ষুদ্র খামারিদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উপকারভোগী নারীরা এ সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এর মাধ্যমে নিজেদের আর্থিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন