চট্টগ্রামে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে কুকুর ও বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে আক্রান্তদের জন্য প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক-প্রতিরোধী (রেবিস) টিকার সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম জেলায় প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসছেন। কিন্তু চাহিদার তুলনায় টিকার মজুত কম থাকায় অনেককে নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রাণঘাতী রোগ হলেও সময়মতো টিকা গ্রহণ করলে এটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের ঘটনা ঘটলে ক্ষতস্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এদিকে টিকার সংকট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে টিকার সরবরাহ বাড়ানো না হলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে কুকুর ও বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে আক্রান্তদের জন্য প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক-প্রতিরোধী (রেবিস) টিকার সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম জেলায় প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসছেন। কিন্তু চাহিদার তুলনায় টিকার মজুত কম থাকায় অনেককে নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রাণঘাতী রোগ হলেও সময়মতো টিকা গ্রহণ করলে এটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের ঘটনা ঘটলে ক্ষতস্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এদিকে টিকার সংকট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে টিকার সরবরাহ বাড়ানো না হলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন