জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান-এর ওপর পুলিশের কথিত শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রোববার এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, একজন জাতীয় ক্রিকেটারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর, গলা চেপে ধরা এবং থানায় নিয়ে গিয়ে অসদাচরণ করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তিনি বলেন, নাঈম নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও এমন আচরণের শিকার হয়েছেন, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
জামায়াত নেতারা বলেন, একজন জাতীয় ক্রীড়াবিদের সঙ্গে এমন আচরণ শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্যও একটি দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক ঘটনা। তাই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে পুলিশের হাতে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ এনে সম্প্রতি মামলা দায়ের করেন নাঈম হাসান। এ ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান-এর ওপর পুলিশের কথিত শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রোববার এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, একজন জাতীয় ক্রিকেটারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর, গলা চেপে ধরা এবং থানায় নিয়ে গিয়ে অসদাচরণ করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তিনি বলেন, নাঈম নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও এমন আচরণের শিকার হয়েছেন, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
জামায়াত নেতারা বলেন, একজন জাতীয় ক্রীড়াবিদের সঙ্গে এমন আচরণ শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্যও একটি দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক ঘটনা। তাই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে পুলিশের হাতে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ এনে সম্প্রতি মামলা দায়ের করেন নাঈম হাসান। এ ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন