চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করার একটি অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (১৪ জুন) ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। বিজিবির বাধায় শেষ পর্যন্ত ওই নারী-পুরুষের দলটিকে ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয় বিএসএফ।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দর্শনা-গেদে সীমান্ত দিয়ে ৮ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী মোট ১১ জনের একটি দলকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে সীমান্তে আগে থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় টহল দিচ্ছিলেন বিজিবি জওয়ানরা। তারা বিএসএফের এই অপচেষ্টা দ্রুত আঁচ করতে পারেন এবং শক্ত অবস্থান নিয়ে তা নস্যাৎ করে দেন। পরে পুশইনের জন্য নিয়ে আসা ওই দলটিকে বাধ্য হয়ে নিজেদের দেশেই ফিরিয়ে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, "পুশইনসহ সীমান্তের যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রুখে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির নিয়মিত টহল, নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারি এবং অপারেশনাল কার্যক্রম সার্বক্ষণিক অব্যাহত রয়েছে।"
সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির দুটি ব্যাটালিয়ন এই অঞ্চলে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলাজুড়ে মোট ১১৩ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে। এছাড়া, ঝিনাইদহের মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধীনে ঝিনাইদহ জেলার ৭০ কিলোমিটার এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার ৩৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিশাল এই সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কড়া নজরদারির কারণেই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের মতো ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করার একটি অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (১৪ জুন) ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। বিজিবির বাধায় শেষ পর্যন্ত ওই নারী-পুরুষের দলটিকে ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয় বিএসএফ।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দর্শনা-গেদে সীমান্ত দিয়ে ৮ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী মোট ১১ জনের একটি দলকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে সীমান্তে আগে থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় টহল দিচ্ছিলেন বিজিবি জওয়ানরা। তারা বিএসএফের এই অপচেষ্টা দ্রুত আঁচ করতে পারেন এবং শক্ত অবস্থান নিয়ে তা নস্যাৎ করে দেন। পরে পুশইনের জন্য নিয়ে আসা ওই দলটিকে বাধ্য হয়ে নিজেদের দেশেই ফিরিয়ে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, "পুশইনসহ সীমান্তের যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রুখে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির নিয়মিত টহল, নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারি এবং অপারেশনাল কার্যক্রম সার্বক্ষণিক অব্যাহত রয়েছে।"
সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির দুটি ব্যাটালিয়ন এই অঞ্চলে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলাজুড়ে মোট ১১৩ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে। এছাড়া, ঝিনাইদহের মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধীনে ঝিনাইদহ জেলার ৭০ কিলোমিটার এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার ৩৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিশাল এই সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কড়া নজরদারির কারণেই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের মতো ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন