বগুড়ার ধুনট উপজেলায় আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার ওপর ককটেল হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত দশটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বথুয়াবাড়ি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরাফাত হোসেন নলডাঙ্গা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং এলাঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ধুনট শহরের শহীদ মিনার চত্বরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা 'জয় বাংলা' স্লোগান দিতে দিতে মশাল মিছিল শুরু করেন। এ সময় যুবদল নেতা রিপন শেখের নেতৃত্বে কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী মিছিলে বাধা দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বাধা পেয়ে মশাল মিছিলকারীরা রিপন শেখকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রিপন শেখ ও তাঁর সহযোগীরা ঘটনাস্থল ছাড়তে বাধ্য হন। ঘটনার দুই দিন পর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, যুবদল নেতা রিপন শেখ বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ছিয়ানব্বই জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ষাট-সত্তর জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার হওয়া আরাফাত হোসেন ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল আলম জানান, গ্রেপ্তারের পর রবিবার দুপুরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার ওপর ককটেল হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত দশটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বথুয়াবাড়ি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরাফাত হোসেন নলডাঙ্গা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং এলাঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ধুনট শহরের শহীদ মিনার চত্বরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা 'জয় বাংলা' স্লোগান দিতে দিতে মশাল মিছিল শুরু করেন। এ সময় যুবদল নেতা রিপন শেখের নেতৃত্বে কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী মিছিলে বাধা দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বাধা পেয়ে মশাল মিছিলকারীরা রিপন শেখকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রিপন শেখ ও তাঁর সহযোগীরা ঘটনাস্থল ছাড়তে বাধ্য হন। ঘটনার দুই দিন পর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, যুবদল নেতা রিপন শেখ বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ছিয়ানব্বই জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ষাট-সত্তর জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার হওয়া আরাফাত হোসেন ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুল আলম জানান, গ্রেপ্তারের পর রবিবার দুপুরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন