ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বগুড়ায় দুই ঘণ্টার কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম, বগুড়া মহানগরীর আহ্বানে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় ব্যাংকের বগুড়া ও বড়গোলা শাখার সামনে অবস্থান নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কলম বিরতি পালন করেন তারা। পরে বেলা ১২টার দিকে কর্মসূচি শেষ হলে স্বাভাবিকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়।
কলম বিরতি চলাকালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের ইসলামী ব্যাংক বগুড়া শাখা ও বড়গোলা শাখার সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন মিয়া, সদস্য সচিব শ্রমিক নেতা আজগর আলী, বিশিষ্ট আইনজীবী আল আমীন তরফদার, অধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন, বুলবুলি খাতুন, শাহনেওয়াজ রেবা প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, অতীত সরকারের সময় ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি, বর্তমান চেয়ারম্যান রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও ঋণখেলাপীর সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা ব্যাংকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
তারা আরও বলেন, এমন নিয়োগ বহাল থাকলে ব্যাংকের স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে এবং সাধারণ আমানতকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তাই অবিলম্বে বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বগুড়ায় দুই ঘণ্টার কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম, বগুড়া মহানগরীর আহ্বানে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় ব্যাংকের বগুড়া ও বড়গোলা শাখার সামনে অবস্থান নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কলম বিরতি পালন করেন তারা। পরে বেলা ১২টার দিকে কর্মসূচি শেষ হলে স্বাভাবিকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়।
কলম বিরতি চলাকালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের ইসলামী ব্যাংক বগুড়া শাখা ও বড়গোলা শাখার সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন মিয়া, সদস্য সচিব শ্রমিক নেতা আজগর আলী, বিশিষ্ট আইনজীবী আল আমীন তরফদার, অধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন, বুলবুলি খাতুন, শাহনেওয়াজ রেবা প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, অতীত সরকারের সময় ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি, বর্তমান চেয়ারম্যান রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও ঋণখেলাপীর সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা ব্যাংকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
তারা আরও বলেন, এমন নিয়োগ বহাল থাকলে ব্যাংকের স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে এবং সাধারণ আমানতকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তাই অবিলম্বে বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন