জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। একই সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও উন্নত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সানাউল্লাহ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে, সেগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপনির্বাচনে আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা থাকবে। এর মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের। নির্বাচন কমিশনার জানান, জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর আগেও নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে আরও উন্নত করার কথা বলেছেন সানাউল্লাহ।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নতুন বিধান, আইনি সংস্কার ও প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতে আরও পরিশীলিত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সানাউল্লাহ ২০২৪ সালের নভেম্বরে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আসন্ন উপনির্বাচনকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের প্রত্যাশা, জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরবর্তী নির্বাচনগুলো পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসির
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। একই সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও উন্নত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।








