শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। বিস্ফোরণের পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে বিস্ফোরণের ধরন এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত থাকতে পারে, তা জানার চেষ্টা করছেন। যাত্রাবাড়ী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. হাসানুর জানান, থানার প্রধান ফটকের সামনে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
প্রাথমিকভাবে এটি ককটেল বিস্ফোরণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত বা নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার পর থানার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে শনাক্ত বা আটক করার তথ্য পাওয়া যায়নি। একই দিনে রাজধানীর আরেক এলাকায়ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর মালিবাগ রেলগেট-সংলগ্ন সড়কে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এদিকে যাত্রাবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের বিশেষ অভিযানও চলছে। বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনায় কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এটি ঘটানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে থেকে বিষয়টি তদন্ত করছেন। তদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।








