ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাইকৃত দাবি নিষ্পত্তিতে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সোমবার কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল ব্যবহার করে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।
বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংকো সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ এবং শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাই করা হবে। তাঁদের অনিষ্পন্ন দাবির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সভায় ছয়টি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানকে পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস ব্রোকার হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক বিনিয়োগকারী পাঁচ লাখ টাকা করে পাবেন, এমন সিদ্ধান্ত নয়; এটি সর্বোচ্চ সীমা। প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ, দাবির গ্রহণযোগ্যতা এবং তহবিলের বিধান অনুযায়ী অর্থ নির্ধারণ হবে। ক্ষতিপূরণ বিতরণের নির্দিষ্ট তারিখ এবং মোট কতজন বিনিয়োগকারী এই সুবিধা পাবেন, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তাই আবেদনপদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ।








