কম্বোডিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্র থেকে মুক্ত হওয়া ৩০ বাংলাদেশি অবশেষে দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে প্রতারণামূলক অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিভিন্ন কেন্দ্রে আটকে পড়ার অভিজ্ঞতা ছিল তাঁদের। দেশে ফেরার বিষয়টি প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউনের পৃথক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কম্বোডিয়ার বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টার থেকে বেরিয়ে আসার পর গত ৩ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে নমপেন বিমানবন্দরে যান ৩২ বাংলাদেশি। কিন্তু দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ অবস্থানসংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাঁদের আটক করে। পরে দুজন মুক্তি পান, আর বাকি ৩০ জন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে ছিলেন। অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের মুক্তি ও প্রত্যাবাসনে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার তাঁরা দেশে পৌঁছেছেন। তবে তাঁদের কর্মসংস্থান, ক্ষতিপূরণ কিংবা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কম্বোডিয়ায় এখনো আটকে থাকা অন্য বাংলাদেশিদের পরিস্থিতিও পৃথকভাবে অনুসন্ধানের বিষয়।








