দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বৃহস্পতিবার জারি করা বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধন ও লাইসেন্স ছাড়া ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। প্রতিটি অনুমোদিত রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর ও নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর এবং গাড়িকে বুয়েট নির্ধারিত প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা মান পূরণ করতে হবে।
নতুন নিয়মে দুই যাত্রীর ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা এবং চার যাত্রীর গাড়ির ফি দশ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বার্ষিক নবায়ন ফি যথাক্রমে চার হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা। ফিটনেস সনদের জন্য এক হাজার টাকা লাগবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মান যাচাইয়ের পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার বিধান রয়েছে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস চলাচলের সড়ক এবং ফুটপাতে ই-রিকশা চলতে পারবে না। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে জোনভিত্তিক রুট নির্ধারণ করবে। পুরোনো ই-রিকশাও প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন ও ফিটনেস যাচাইয়ের পর অনুমোদন পেতে পারে। তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাস্তবে কত দ্রুত চালু হবে এবং চালক-মালিকদের ওপর ব্যয়ের প্রভাব কী হবে, তা পর্যবেক্ষণের বিষয়।
ই-রিকশার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, নির্ধারিত হলো ফি ও চলাচলের সড়ক








