মাদক দ্রব

চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে দুইজন গ্রেপ্তার

সামারি ট্রায়ালে একজনের ৬ মাস, অপরজনের ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

প্রিন্ট
চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে দুইজন গ্রেপ্তার
⌖ চুয়াডাঙ্গা সদর
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়াল প্রসিকিউশনের জন্য আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ আদালত তাৎক্ষণিক বিচার শেষে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।‎‎চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খাঁনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের সকল ইউনিটে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সদর থানা পুলিশ পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে।‎‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিঃ) মো. আকরাম খাঁনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স পৌর কলেজপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় পৌর কলেজপাড়ার মো. মুস্তাফিজুর রহমানের বসতবাড়ির শয়নকক্ষ থেকে তাকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আটক করা হয়।‎‎গ্রেপ্তার মুস্তাফিজুর রহমান (২১) পৌর কলেজপাড়ার মুকুল হোসেনের ছেলে। পুলিশের উপস্থিতিতে মাদকদ্রব্য সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।‎‎পরে তার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়াল প্রসিকিউশনের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। বিজ্ঞ আদালত তাকে ওই ধারার অপরাধে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।‎‎অপরদিকে, একই দিন সকাল ১১টার দিকে সদর থানার এসআই (নিঃ) মো. অনুজ কুমার সরকারের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স থানাধীন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সৌলতদিয়ার (চুনরিপাড়া) এলাকায় মো. সেতু রহমানের বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।‎‎গ্রেপ্তার সেতু রহমান (৩০) দৌলতদিয়ার (চুনরিপাড়া) গ্রামের আসাদুল হক মিন্টুর ছেলে। পুলিশের দাবি, মাদকদ্রব্য সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুলিশের উপস্থিতিতে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।‎‎পরে তার বিরুদ্ধেও ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়াল প্রসিকিউশনের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। বিজ্ঞ আদালত তাকে ওই ধারার অপরাধে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।‎‎চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সম্পর্কিত সংবাদ