পাবনা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে গত ২৭ নভেম্বর ঈশ্বরদী থানাধীন চকগড়গড়ি আলহাজ মোড়ে পিস্তল হাতে ভাইরাল হওয়া যুবক মো. তুষার হোসেনকে পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর চকগড়গড়ি আলহাজ মোড় এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কেন্দ্র করে জামায়াত ইসলামী ও বিএনপি সমর্থিত এমপি প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সংঘর্ষ চলাকালে তুষার হোসেন প্রকাশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে জনসাধারণের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষ বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করে, যেখানে তুষার হোসেনকে একটি মামলার (মামলা নং–৪৫, তারিখ–২৯/১১/২০২৫) ছয় নম্বর আসামি করা হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ মহোদয়ের দিকনির্দেশনা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মশিউর রহমান মন্ডল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপ্স) মো. রেজিনুর রহমান মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে ওসি ডিবি মো. রাশিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) বেনু রায়, পিপিএম; এসআই (নিঃ) অসিত কুমার বসাকসহ ডিবি পাবনার একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তি, স্থানীয় সোর্স ও অনুসন্ধানী কৌশলের সমন্বয়ে আসামিকে গ্রেপ্তারে নিরলস অভিযান পরিচালনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন ধানবান্ধি এলাকার মতিন সাহেবের ঘাট সংলগ্ন জে. সি. রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলাভুক্ত ছয় নম্বর আসামি মো. তুষার হোসেনকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তুষার হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে তার হেফাজতে ঈশ্বরদী থানাধীন ভেলুপাড়া এলাকায় একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) এবং দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ লুকিয়ে রাখা আছে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ডিবি সদস্যরা ভেলুপাড়ায় মো. রবিউল ইসলামের ফাঁকা পতিত জমিতে মো. আতিকের ইটের প্রাচীরের পশ্চিম পাশে মাটি খুঁড়ে (প্রায় ছয়/সাত ইঞ্চি গভীরে) একটি ছোট স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়ানো লোডেড অবস্থায় একটি সচল কালো রঙের লোহার পিস্তল এবং ম্যাগাজিনে থাকা দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। মো. তুষার হোসেনের (২১) ঠিকানা: পিতা: মো. আবু তাহের, মাতা: মোছাঃ তাছলিমা খাতুন, সাং: ভেলুপাড়া, থানা: ঈশ্বরদী, জেলা: পাবনা। উদ্ধারকৃত আলামতসহ এই আসামির বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় আর্মস অ্যাক্ট, ১৮৭৮ এর ১৯এ/১৯(এফ) ধারায় (মামলা নং–০৬, তারিখ ০২/১২/২০২৫) পৃথক অস্ত্র মামলা রুজু করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা, পাবনা জানিয়েছে যে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে তারা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫
পাবনা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে গত ২৭ নভেম্বর ঈশ্বরদী থানাধীন চকগড়গড়ি আলহাজ মোড়ে পিস্তল হাতে ভাইরাল হওয়া যুবক মো. তুষার হোসেনকে পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর চকগড়গড়ি আলহাজ মোড় এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কেন্দ্র করে জামায়াত ইসলামী ও বিএনপি সমর্থিত এমপি প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সংঘর্ষ চলাকালে তুষার হোসেন প্রকাশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে জনসাধারণের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষ বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করে, যেখানে তুষার হোসেনকে একটি মামলার (মামলা নং–৪৫, তারিখ–২৯/১১/২০২৫) ছয় নম্বর আসামি করা হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ মহোদয়ের দিকনির্দেশনা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মশিউর রহমান মন্ডল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপ্স) মো. রেজিনুর রহমান মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে ওসি ডিবি মো. রাশিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) বেনু রায়, পিপিএম; এসআই (নিঃ) অসিত কুমার বসাকসহ ডিবি পাবনার একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তি, স্থানীয় সোর্স ও অনুসন্ধানী কৌশলের সমন্বয়ে আসামিকে গ্রেপ্তারে নিরলস অভিযান পরিচালনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন ধানবান্ধি এলাকার মতিন সাহেবের ঘাট সংলগ্ন জে. সি. রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলাভুক্ত ছয় নম্বর আসামি মো. তুষার হোসেনকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তুষার হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে তার হেফাজতে ঈশ্বরদী থানাধীন ভেলুপাড়া এলাকায় একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) এবং দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ লুকিয়ে রাখা আছে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ডিবি সদস্যরা ভেলুপাড়ায় মো. রবিউল ইসলামের ফাঁকা পতিত জমিতে মো. আতিকের ইটের প্রাচীরের পশ্চিম পাশে মাটি খুঁড়ে (প্রায় ছয়/সাত ইঞ্চি গভীরে) একটি ছোট স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়ানো লোডেড অবস্থায় একটি সচল কালো রঙের লোহার পিস্তল এবং ম্যাগাজিনে থাকা দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। মো. তুষার হোসেনের (২১) ঠিকানা: পিতা: মো. আবু তাহের, মাতা: মোছাঃ তাছলিমা খাতুন, সাং: ভেলুপাড়া, থানা: ঈশ্বরদী, জেলা: পাবনা। উদ্ধারকৃত আলামতসহ এই আসামির বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় আর্মস অ্যাক্ট, ১৮৭৮ এর ১৯এ/১৯(এফ) ধারায় (মামলা নং–০৬, তারিখ ০২/১২/২০২৫) পৃথক অস্ত্র মামলা রুজু করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা, পাবনা জানিয়েছে যে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে তারা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন