ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

এআই দিয়ে ‘কাটা হাতের’ ছবি বানিয়ে অফিস থেকে ছুটি নিলেন কর্মী, ঘটনা ভাইরাল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫

এআই দিয়ে ‘কাটা হাতের’ ছবি বানিয়ে অফিস থেকে ছুটি নিলেন কর্মী, ঘটনা ভাইরাল

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার যেমন দ্রুত বাড়ছে, তেমনি এর অপব্যবহারও ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি গুগল-এর ন্যানো ব্যানা এআই ইমেজ জেনারেটর ব্যবহারের একটি অদ্ভুত ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে হাইপার-রিয়েলিস্টিক ছবি তৈরি করার ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এক কর্মী অফিস থেকে ছুটি নিয়েছেন। এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ওই কর্মী প্রথমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তাঁর হাতের একটি ছবি তোলেন। এরপর সেই ছবি ন্যানো ব্যানানাতে আপলোড করে সংক্ষিপ্ত নির্দেশ (প্রম্পট) লিখে এআই-কে তাতে আঘাতের চিহ্ন যোগ করার নির্দেশ দেন। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এআই এমন একটি বাস্তবসম্মত ছবি তৈরি করে দেয়, যা দেখলে মনে হয় হাতটিতে সত্যিই গুরুতর আঘাত লেগেছে। এই সম্পাদিত ছবিটি তিনি অফিসের মানবসম্পদ বিভাগের (এইচআর) কর্মকর্তার কাছে পাঠান এবং দাবি করেন যে তিনি বাইক থেকে পড়ে আঘাত পেয়েছেন, তাই তাঁর চিকিৎসকের কাছে যাওয়া দরকার। ছবিটি দেখে এইচআর কর্মকর্তা সহানুভূতিশীল হয়ে পড়েন এবং কোনো অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই না করেই প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে বৈতনিক ছুটি (পেইড লিভ) অনুমোদন করেন। এর প্রধান কারণ ছিল—এআই-এর তৈরি ক্ষতের চিহ্ন ছিল অত্যন্ত বাস্তবসম্মত।

শ্রেয়াষ নির্মল নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম লিংকডইনে আসল ও সম্পাদিত ছবি পাশাপাশি রেখে পোস্ট করে ঘটনাটি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এইচআর কর্মকর্তা কথিত ‘আঘাত’ দেখে সঙ্গে সঙ্গে ম্যানেজারের কাছে বিষয়টি জানান এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই সহানুভূতিপূর্ণ বার্তার সঙ্গে ছুটি অনুমোদিত হয়। এই ঘটনা প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। কেউ বিস্মিত হয়েছেন, কেউ বা হাস্যরস করেছেন। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, "যে কোম্পানিতে এমন প্রমাণ দিতে হয়, সেই কোম্পানি আগেই বরবাদ হয়ে গেছে।" অন্য একজন লিখেছেন, "এটা কল্পনাশক্তির সমস্যা নয়, বরং সংস্থার সংস্কৃতির ফলাফল, যেখানে কাজের চাপ ও বিষাক্ত পরিবেশ কর্মচারীকে এই পথ বেছে নিতে প্ররোচিত করে।"

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


এআই দিয়ে ‘কাটা হাতের’ ছবি বানিয়ে অফিস থেকে ছুটি নিলেন কর্মী, ঘটনা ভাইরাল

প্রকাশের তারিখ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ব্যবহার যেমন দ্রুত বাড়ছে, তেমনি এর অপব্যবহারও ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি গুগল-এর ন্যানো ব্যানা এআই ইমেজ জেনারেটর ব্যবহারের একটি অদ্ভুত ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে হাইপার-রিয়েলিস্টিক ছবি তৈরি করার ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এক কর্মী অফিস থেকে ছুটি নিয়েছেন। এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ওই কর্মী প্রথমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তাঁর হাতের একটি ছবি তোলেন। এরপর সেই ছবি ন্যানো ব্যানানাতে আপলোড করে সংক্ষিপ্ত নির্দেশ (প্রম্পট) লিখে এআই-কে তাতে আঘাতের চিহ্ন যোগ করার নির্দেশ দেন। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এআই এমন একটি বাস্তবসম্মত ছবি তৈরি করে দেয়, যা দেখলে মনে হয় হাতটিতে সত্যিই গুরুতর আঘাত লেগেছে। এই সম্পাদিত ছবিটি তিনি অফিসের মানবসম্পদ বিভাগের (এইচআর) কর্মকর্তার কাছে পাঠান এবং দাবি করেন যে তিনি বাইক থেকে পড়ে আঘাত পেয়েছেন, তাই তাঁর চিকিৎসকের কাছে যাওয়া দরকার। ছবিটি দেখে এইচআর কর্মকর্তা সহানুভূতিশীল হয়ে পড়েন এবং কোনো অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই না করেই প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে বৈতনিক ছুটি (পেইড লিভ) অনুমোদন করেন। এর প্রধান কারণ ছিল—এআই-এর তৈরি ক্ষতের চিহ্ন ছিল অত্যন্ত বাস্তবসম্মত।

শ্রেয়াষ নির্মল নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম লিংকডইনে আসল ও সম্পাদিত ছবি পাশাপাশি রেখে পোস্ট করে ঘটনাটি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এইচআর কর্মকর্তা কথিত ‘আঘাত’ দেখে সঙ্গে সঙ্গে ম্যানেজারের কাছে বিষয়টি জানান এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই সহানুভূতিপূর্ণ বার্তার সঙ্গে ছুটি অনুমোদিত হয়। এই ঘটনা প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। কেউ বিস্মিত হয়েছেন, কেউ বা হাস্যরস করেছেন। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, "যে কোম্পানিতে এমন প্রমাণ দিতে হয়, সেই কোম্পানি আগেই বরবাদ হয়ে গেছে।" অন্য একজন লিখেছেন, "এটা কল্পনাশক্তির সমস্যা নয়, বরং সংস্থার সংস্কৃতির ফলাফল, যেখানে কাজের চাপ ও বিষাক্ত পরিবেশ কর্মচারীকে এই পথ বেছে নিতে প্ররোচিত করে।"

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ