ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ফরিদপুরে ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান : ৬ হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ ও ধ্বংস


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরে ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান : ৬ হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ ও ধ্বংস

ফরিদপুর জেলা শহরতলীর শিবরামপুরের ছোট বটতলা এলাকায় ভেজাল গুড় প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বপন কুমার শীলের পরিচালিত একটি ভেজাল গুড়ের কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান। অভিযানে সহযোগিতা করেন ফরিদপুরের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মো. আজমুল ফুয়াদ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও বাংলাদেশ আনসারের একটি চৌকস দল।

অভিযানকারী কর্মকর্তারা জানান, কারখানাটি ছিল অত্যন্ত নোংরা, স্যাঁতসেঁতে এবং পুরোপুরি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত। ভারত থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের টিনজাত চিটাগুড়—যা মূলত গো-খাদ্যে ব্যবহৃত হয়—এর সাথে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ, ফিটকিরি, নন-ফুড গ্রেড ক্ষতিকর রঙ ও ফ্লেভার, পঁচা মিষ্টি, নষ্ট মিষ্টির গাদ, ময়দা, সোডা ও চিনি মিশিয়ে খেজুর ও আখের গুড় তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এই ভেজাল গুড় সাধারণত রাতের আঁধারে উৎপাদন করে বৃহত্তর ফরিদপুর, ঢাকা ও রাজশাহীর বাজারে সরবরাহ করা হতো।

অভিযানের সময় কারখানার মালিক পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় সাড়ে ৬ হাজার কেজি ভেজাল গুড় ও শিল্পে ব্যবহার্য বিভিন্ন কেমিক্যাল জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন অভিযানের নেতৃত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ফরিদপুরে ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান : ৬ হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ ও ধ্বংস

প্রকাশের তারিখ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

ফরিদপুর জেলা শহরতলীর শিবরামপুরের ছোট বটতলা এলাকায় ভেজাল গুড় প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বপন কুমার শীলের পরিচালিত একটি ভেজাল গুড়ের কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান। অভিযানে সহযোগিতা করেন ফরিদপুরের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মো. আজমুল ফুয়াদ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও বাংলাদেশ আনসারের একটি চৌকস দল।

অভিযানকারী কর্মকর্তারা জানান, কারখানাটি ছিল অত্যন্ত নোংরা, স্যাঁতসেঁতে এবং পুরোপুরি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত। ভারত থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের টিনজাত চিটাগুড়—যা মূলত গো-খাদ্যে ব্যবহৃত হয়—এর সাথে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ, ফিটকিরি, নন-ফুড গ্রেড ক্ষতিকর রঙ ও ফ্লেভার, পঁচা মিষ্টি, নষ্ট মিষ্টির গাদ, ময়দা, সোডা ও চিনি মিশিয়ে খেজুর ও আখের গুড় তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এই ভেজাল গুড় সাধারণত রাতের আঁধারে উৎপাদন করে বৃহত্তর ফরিদপুর, ঢাকা ও রাজশাহীর বাজারে সরবরাহ করা হতো।

অভিযানের সময় কারখানার মালিক পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় সাড়ে ৬ হাজার কেজি ভেজাল গুড় ও শিল্পে ব্যবহার্য বিভিন্ন কেমিক্যাল জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন অভিযানের নেতৃত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ