চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ভ্যান চুরিকে কেন্দ্র করে দুলু মিয়া (৩২) নামে এক ডেলিভারি বয়কে হাত-পা বেঁধে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হাউসপুর ব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুলু মিয়া উপজেলার আসাননগর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি একটি কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারি বয়ের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, কর্মস্থল থেকে কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দুলু মিয়া। এ সময় কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক ধরে হাউসপুর ব্রিজের নিচে নিয়ে যায়। সেখানে হাত-পা বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে স্থানীয়রা ব্রিজের নিচে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দুই দিন আগে এলাকায় একটি ভ্যান চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ভ্যান চুরিকে কেন্দ্র করে দুলু মিয়া (৩২) নামে এক ডেলিভারি বয়কে হাত-পা বেঁধে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হাউসপুর ব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুলু মিয়া উপজেলার আসাননগর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি একটি কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারি বয়ের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, কর্মস্থল থেকে কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দুলু মিয়া। এ সময় কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক ধরে হাউসপুর ব্রিজের নিচে নিয়ে যায়। সেখানে হাত-পা বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে স্থানীয়রা ব্রিজের নিচে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দুই দিন আগে এলাকায় একটি ভ্যান চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন