সারা বাংলাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মিজ লুৎফুন নাহার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আসন্ন বৈশাখী উৎসব ও নববর্ষ উদযাপনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও জেলা প্রশাসক বলেন "জেলার সকল স্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করতে চাই। এবং পহেলা বৈশাখে যারা সুন্দর করে সাজগোছ করে আসবে তাদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে। "
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।
সভায় পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে জেলার সার্বিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা আয়োজন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জানা গেছে, পহেলা বৈশাখের দিন সকালে চুয়াডাঙ্গা শহরের চাঁদমারী মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হবে। শোভাযাত্রাটি কোর্টমোড়, হাসান চত্বর ও কবরী সহ প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে আয়োজন করা হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেবেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ।
এছাড়া, চুয়াডাঙ্গা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হবে। মেলায় স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গ্রামীণ পণ্যের সমাহার ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা শিশু পরিবার ও জেলা কারাগারে পরিবেশন করা হবে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার, যা উৎসবের আনন্দকে ছড়িয়ে দেবে সমাজের সব স্তরে সকলেন মধ্যে।
সভায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে করে জেলার মানুষ আনন্দঘন পরিবেশে নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করতে পারে।
প্রস্তুতিমূলক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমান, জেল সুপার মির্জা শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহা, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে প্রতিনিধি ড. মুন্সি আবু সাইফ, বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি, আমার বাংলাদেশ পার্টির প্রতিনিধি, শিল্পকলা একাডেমীর প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতি সংগঠনের নেতৃত্বেরসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সারা বাংলাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মিজ লুৎফুন নাহার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আসন্ন বৈশাখী উৎসব ও নববর্ষ উদযাপনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও জেলা প্রশাসক বলেন "জেলার সকল স্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করতে চাই। এবং পহেলা বৈশাখে যারা সুন্দর করে সাজগোছ করে আসবে তাদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে। "
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী।
সভায় পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে জেলার সার্বিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা আয়োজন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জানা গেছে, পহেলা বৈশাখের দিন সকালে চুয়াডাঙ্গা শহরের চাঁদমারী মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হবে। শোভাযাত্রাটি কোর্টমোড়, হাসান চত্বর ও কবরী সহ প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে আয়োজন করা হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেবেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ।
এছাড়া, চুয়াডাঙ্গা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হবে। মেলায় স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গ্রামীণ পণ্যের সমাহার ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা শিশু পরিবার ও জেলা কারাগারে পরিবেশন করা হবে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার, যা উৎসবের আনন্দকে ছড়িয়ে দেবে সমাজের সব স্তরে সকলেন মধ্যে।
সভায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে করে জেলার মানুষ আনন্দঘন পরিবেশে নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করতে পারে।
প্রস্তুতিমূলক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমান, জেল সুপার মির্জা শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহা, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে প্রতিনিধি ড. মুন্সি আবু সাইফ, বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি, আমার বাংলাদেশ পার্টির প্রতিনিধি, শিল্পকলা একাডেমীর প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতি সংগঠনের নেতৃত্বেরসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন