চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সহযোগিতায় আজ ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় জেলার সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরবর্তীতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলা প্রশাসক, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।
এ সময় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি, আঙিনা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা হলে এডিস মশার বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি অপসারণ, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার, ডাবের খোসা ও অন্যান্য বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণকে সচেতন করতে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সিভিল সার্জন, চুয়াডাঙ্গাসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সহযোগিতায় আজ ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় জেলার সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরবর্তীতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলা প্রশাসক, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।
এ সময় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি, আঙিনা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা হলে এডিস মশার বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি অপসারণ, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার, ডাবের খোসা ও অন্যান্য বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণকে সচেতন করতে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সিভিল সার্জন, চুয়াডাঙ্গাসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন