রাজপথে এক বৃদ্ধকে ব্যাগ দিয়ে আঘাত করে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন রুশ-ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রভাবশালী সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মনিকা কবীর। সম্প্রতি বাংলাদেশে বসবাস শুরু করা এই মডেলের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। মনিকার দাবি, ওই ব্যক্তি কেবল তাকে অস্বস্তিকরভাবে স্পর্শই করেননি, বরং অত্যন্ত অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে কটূক্তিও করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে রাজপথে একটি প্রচারমূলক ভিডিওর শুটিং চলাকালীন। ভিডিওতে দেখা যায়, মনিকা একটি নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে পোজ দিচ্ছিলেন। তার অভিযোগ, চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও এক বৃদ্ধ ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার খুব কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ধাক্কা দেন এবং আপত্তিকর মন্তব্য করেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনিকা তার হাতের ব্যাগ দিয়ে লোকটিকে সজোরে আঘাত করেন। এরপর শান্তভাবে নিজের ব্যাগটি তুলে নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি পোস্ট করে মনিকা ক্যাপশনে লেখেন, “যেখানে সৌন্দর্য সাহসিকতার সঙ্গে মিলিত হয়। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আপনার দিন শুরু করুন!” তার এই অবস্থানের পক্ষে অনেক নারী ও অনুরাগী দাঁড়িয়েছেন। তারা মনে করেন, প্রকাশ্যে হয়রানির শিকার হলে এভাবেই শক্ত হাতে প্রতিবাদ করা উচিত। এক ভক্ত মনিকাকে ‘স্যালুট’ জানিয়ে লিখেছেন, সব মেয়েরই এভাবে জনসম্মুখে প্রতিবাদ করা শেখা উচিত।
তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। বড় একটি অংশ এই ঘটনাকে ‘সস্তা জনপ্রিয়তা’ পাওয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন। সমালোচকদের মতে, ভিডিওতে লোকটির আচরণ কেবল এক সেকেন্ডের অসতর্কতা মনে হতে পারে, কিন্তু মনিকা যেভাবে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন তা অমানবিক। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “ভাইরাল হওয়ার জন্য গরিব মানুষকে আঘাত করছেন? প্রতিটি দৃষ্টি বা স্পর্শ আক্রমণ নয়।” অনেকের ধারণা, স্রেফ প্রচারের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।
পাল্টা জবাবে মনিকা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, “বাংলাদেশে এরকম অনেক পুরুষ আছেন।” তার এই মন্তব্য বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। একদিকে যখন নারীর নিরাপত্তা ও প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে আলোচনা চলছে, অন্যদিকে তখন একজন বয়স্ক মানুষের ওপর শারীরিক চড়াও হওয়ার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন নাগরিকরা। ঘটনাটি এখন টক অফ দ্য টাউন, যেখানে সাহসিকতা ও অভদ্রতার সীমারেখা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
রাজপথে এক বৃদ্ধকে ব্যাগ দিয়ে আঘাত করে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন রুশ-ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রভাবশালী সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মনিকা কবীর। সম্প্রতি বাংলাদেশে বসবাস শুরু করা এই মডেলের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। মনিকার দাবি, ওই ব্যক্তি কেবল তাকে অস্বস্তিকরভাবে স্পর্শই করেননি, বরং অত্যন্ত অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে কটূক্তিও করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে রাজপথে একটি প্রচারমূলক ভিডিওর শুটিং চলাকালীন। ভিডিওতে দেখা যায়, মনিকা একটি নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে পোজ দিচ্ছিলেন। তার অভিযোগ, চারপাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও এক বৃদ্ধ ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার খুব কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ধাক্কা দেন এবং আপত্তিকর মন্তব্য করেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনিকা তার হাতের ব্যাগ দিয়ে লোকটিকে সজোরে আঘাত করেন। এরপর শান্তভাবে নিজের ব্যাগটি তুলে নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি পোস্ট করে মনিকা ক্যাপশনে লেখেন, “যেখানে সৌন্দর্য সাহসিকতার সঙ্গে মিলিত হয়। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আপনার দিন শুরু করুন!” তার এই অবস্থানের পক্ষে অনেক নারী ও অনুরাগী দাঁড়িয়েছেন। তারা মনে করেন, প্রকাশ্যে হয়রানির শিকার হলে এভাবেই শক্ত হাতে প্রতিবাদ করা উচিত। এক ভক্ত মনিকাকে ‘স্যালুট’ জানিয়ে লিখেছেন, সব মেয়েরই এভাবে জনসম্মুখে প্রতিবাদ করা শেখা উচিত।
তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। বড় একটি অংশ এই ঘটনাকে ‘সস্তা জনপ্রিয়তা’ পাওয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন। সমালোচকদের মতে, ভিডিওতে লোকটির আচরণ কেবল এক সেকেন্ডের অসতর্কতা মনে হতে পারে, কিন্তু মনিকা যেভাবে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন তা অমানবিক। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “ভাইরাল হওয়ার জন্য গরিব মানুষকে আঘাত করছেন? প্রতিটি দৃষ্টি বা স্পর্শ আক্রমণ নয়।” অনেকের ধারণা, স্রেফ প্রচারের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।
পাল্টা জবাবে মনিকা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, “বাংলাদেশে এরকম অনেক পুরুষ আছেন।” তার এই মন্তব্য বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। একদিকে যখন নারীর নিরাপত্তা ও প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে আলোচনা চলছে, অন্যদিকে তখন একজন বয়স্ক মানুষের ওপর শারীরিক চড়াও হওয়ার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন নাগরিকরা। ঘটনাটি এখন টক অফ দ্য টাউন, যেখানে সাহসিকতা ও অভদ্রতার সীমারেখা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

আপনার মতামত লিখুন